প্রতীক উরের ইস্তফার খবর সামনে আসার পর থেকেই সিপিএমের আরও বেশ কয়েকজন তরুণ মুখকে নিয়েও জল্পনা ছড়িয়েছে৷ তাঁদের মধ্যে অন্যতম দীপ্সিতা ধর৷ সিপিএমের তরুণ এই নেত্রী এ বছর এখনও দলের সদস্যপদ নবীকরণ না করায় তিনিও প্রতীক উরের পথে হাঁটবেন কি না, তা নিয়েও জল্পনা ছড়িয়েছে৷
এই আবহে মুখ খুললেন দীপ্সিতা৷ কেন সদস্যপদ এখনও নবীকরণ করাননি, ‘তাঁরও ব্যাখ্যা দিয়েছেন সিপিএম নেত্রী৷ দীপ্সিতা বলেন, আমাদের দলে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সদস্যপদ নবীকরণ করা যায়৷ আমার সদস্যপদ যেহেতু দিল্লি থেকে নেওয়া তাই দিল্লিতে গিয়েই সদস্যপদ নবীকরণ করতে হবে৷ দিল্লিতে না গেলে সদস্যপদ নবীকরণ করব কী করে? এখনও তো দেড় মাস সময় রয়েছে৷ তাহলে আমার সদস্যপদ নবীকরণ না করা নিয়ে এত উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ার কী হল?’
advertisement
তাঁর সদস্যপদ নবীকরণ না করানোর খবর কীভাবে দলের বাইরে এল, তা নিয়ে অবশ্য একই সঙ্গে হতাশা এবং বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ছাত্র রাজনীতি করে উঠে আসা তরুণ এই নেত্রী৷ দীপ্সিতা বলেন, ‘নির্বাচনের ঠিক আগে এরকম একটা খবর ছড়িয়ে দেওয়া, বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা বলেই মনে হচ্ছে৷ এটা এক ধরনের ষড়যন্ত্র৷ কে এই খবর ছড়াল তো আমি জানি না, কিন্তু আমার সদস্যপদ নবীকরণ না হওয়া নিয়ে কথা শুরু হওয়ায় অস্বস্তি তো হচ্ছেই৷’ প্রসঙ্গত দলের ভিতরের গোপন খবর কে ফাঁস করছে, তা নিয়ে সরব হয়েছিলেন প্রতীক উরও৷ দলত্যাগী এই নেতার অভিযোগ ছিল, রাজ্য সম্পাদকের উদ্দ্যেশে পাঠানো তাঁর ইস্তফাপত্রও দলের ভিতরেরই কেউ বা কারা জনসমক্ষে নিয়ে এসেছেন৷
তবে প্রতীক উর রহমানের দলত্যাগ এবং অন্য দলে যোগ দেওয়ার বিষয়টি সচেতন ভাবেই এড়িয়ে গিয়েছেন দীপ্সিতা৷ তিনি বলেন, ‘যতদিন দল ওনাকে সাসপেন্ড করেনি অথবা বহিষ্কার করেনি, ততদিন পর্যন্ত প্রতীক উর রহমান আমার সহকর্মী, কমরেড৷’
তবে প্রতীক উর আবহে যতই জল্পনা ছড়াক, দীপ্সিতার দাবি তিনি সিপিএমেই থাকছেন৷ ২০২১ সালে বালি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হওয়া দীপ্সিতা বলেন, ‘আমি সিপিএমেই আছি৷ যতদিন আমার আদর্শের প্রতি আমি আস্থাশীল, আমি সিপিএমেই আছি৷’
