শিয়ালদহ স্টেশনের বাইরে বিজেপির তরফে যে ক্যাম্প করা হয়েছে, সেখানে সকাল থেকেই উত্তরবঙ্গ-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কর্মী-সমর্থকদের জন্য খাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। দূর জেলা থেকে আসা অনেকেই দীর্ঘ সফর শেষে ওই ক্যাম্পে বিশ্রাম নিচ্ছেন এবং জলখাবার বা খাবার সেরে ব্রিগেডমুখী হচ্ছেন। সেই ক্যাম্পেই এদিন কর্মীদের মাঝে নেমে পড়েন শমীক ভট্টাচার্য। মোট ১ লক্ষ লোকের রান্না করা হয়েছে। মেনুতে রয়েছে ভাত, সবজি ডাল। যাঁরা এখানে আসবেন, তাঁদের থাকার জন্যও ব্যবস্থা করা হয়েছে। খাওয়া দাওয়া সেরে ব্রিগেড যাবেন কর্মীরা। ফেরার পথে এখানে খাওয়া দাওয়া সেরে তারপর ট্রেনে উঠবে।
advertisement
মোদির সফরের আগে শহরে ‘গো ব্যাক মোদি’ হোর্ডিং, ভিআইপি রোডের কেষ্টপুরে ছেয়ে গিয়েছে পোস্টার!
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যাম্পে উপস্থিত কর্মী-সমর্থকদের জন্য খাবার পরিবেশনের কাজে সরাসরি অংশ নেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁকে থালা হাতে কর্মীদের খাবার তুলে দিতে দেখা যায়। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে তাঁর এই সহজ, ঘরোয়া উপস্থিতি ঘিরে ক্যাম্পে আলাদা উত্সাহও তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে এই মুহূর্তের ছবি এবং বাইটও ধরা পড়েছে।
খাবার পরিবেশন প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এটা নতুন কিছু নয়। ছোটবেলা থেকেই জনসংঘ এবং বিজেপির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মানুষকে খাবার পরিবেশন করার অভ্যাস রয়েছে তাঁর। যাঁদের এদিন খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে, তাঁদের অনেকের বাড়িতেই তিনি দিনের পর দিন খেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তাঁর কথায়, এটা তাঁর কর্তব্য।
ব্রিগেড সভার আগে শিয়ালদহে কর্মী-সমর্থকদের জমায়েতের মধ্যে শমীক ভট্টাচার্যের এই ভূমিকা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে পর্যবেক্ষকদের একাংশ। কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং সংগঠনের পুরনো সংস্কৃতির বার্তা তুলে ধরার চেষ্টা হিসেবেও এই পদক্ষেপকে দেখা হচ্ছে।
