জানা গিয়েছে, বেশ কিছু দিন অসুস্থ ছিলেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ৷ রবিবার রাতে ১১.১৫ মিনিট নাগাদ ই এম বাইপাস লাগোয়া মুকুন্দপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর৷
সমীর পুততুণ্ডর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘একদা বাম আন্দোলনের শক্তিশালী নেতা সমীর পুততুণ্ডকে হারিয়ে আমি খুবই মর্মাহত বোধ করছি। মনে হচ্ছে, আমি নিজের কাউকে হারালাম। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনে একসঙ্গে কাজ করেছি।’ প্রয়াত নেতার স্ত্রীকে সমবেদনা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আরও লিখেছেন, ‘অনুরাধাদিকে সান্ত্বনা জানানোর ভাষা নেই, তবুও সর্বদা পাশে আছি।’
একসময় দক্ষিণ চব্বিশ পরগণায় সিপিএমের জেলা সম্পাদকের দায়িত্ব সামলেছেন সমীর পুততুণ্ড৷ যদিও ২০০১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে সিপিএম ছেড়ে বেরিয়ে আসেন সমীর পুততুণ্ড ও সইফুদ্দিন চৌধুরী৷ নতুন দল পিডিএস তৈরি করেন তাঁরা৷ ২০০১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে প্রার্থীও হন সমীরবাবু৷ যদিও সেই ভোটে একেবারেই ছাপ ফেলতে পারেননি তিনি৷ পরবর্তী সময়ে অবশ্য সিঙ্গুর এবং নন্দীগ্রাম আন্দোলন পর্বে তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন সমীর পুততুণ্ড৷
