রিঙ্কু জানিয়েছেন, নিজের ক্ষোভের কথা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছেন তিনি। রিঙ্কুর ভাষায়, ” আমি পার্টির কাছে আবেদন করেছিলাম প্রার্থী হতে চেয়ে। আমি দীর্ঘদিনের কর্মী। রাজারহাট নিউটাউন এলাকার ভোটার। আমি সেখান থেকে প্রার্থী হতে চাই, লড়তে চাই। দিলীপ ঘোষের সঙ্গে আমার নাম যুক্ত হয়েছে গত প্রায় এক বছর। তার অনেক আগে থেকেই আমি পার্টির সঙ্গে যুক্ত। রাজারহাট-নিউটাউনে যাঁকে প্রার্থী করা হয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে।”
advertisement
দিলীপ ঘরণী আরও জানান, ” পার্টির কাছে জানিয়েছি! নেতৃত্বের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, দাদাকে জেতান, দাদার হয়ে কাজ করুন। আমি বলেছি, দাদার যা ক্ষমতা আছে,. তাতে আমার সহযোগিতার প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র নিউটাউন কেন্দ্র নয়, একাধিক কেন্দ্রে দেখা যাচ্ছে পরিবারতন্ত্রকে মজবুত করার প্রবণতা। অধিকারী পরিবার, সিং পরিবার… এক পরিবার থেকে দু’জন, চারজন টিকিট পেয়েছে। নিয়ম সকলের জন্য এক হওয়া উচিৎ, এটাও জানিয়েছি পার্টিকে। আগামিদিনে দিলীপ ঘোষের হয়ে খড়্গপুরে নিশ্চয়ই যাব ভোট-প্রচারে। ইতিমধ্যেই দলের কর্মী সমর্থকরা সেখানে গিয়ে প্রচারের কথা জানিয়েছেন। আমিও নিশ্চয়ই যাব।”
এ বারের বিধানসভা ভোটে প্রাক্তন বিধায়ক দিলীপকে তাঁর পুরনো কেন্দ্র খড়্গপুরে প্রার্থী করা হলেও বাদ পড়েছেন রিঙ্কু। যে হেতু সাংগঠনিক প্রথা মেনে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব প্রার্থিতালিকা চূড়ান্ত করেন, তাই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছেই তিনি ক্ষোভ জানিয়ে এসেছেন বলে দাবি রিঙ্কু মজুমদারের।
