পরিবারের অভিযোগ, লিফটে আটকে পড়ার পর অরূপবাবুর স্ত্রী বারবার সাহায্যের জন্য ডাকাডাকি করলেও কেউ এগিয়ে আসেনি। তাঁদের দাবি, লিফটম্যান ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলে এমন দুর্ঘটনা এড়ানো যেত।
আরও পড়ুনঃ ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল বাবার, আর জি কর হাসপাতালে লিফট দুর্ঘটনায় মৃত্যু দমদমের বাসিন্দার
advertisement
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, লিফটটি বারবার নিচ থেকে উপরে ওঠানামা করছিল এবং মৃতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে, যার পরেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
অন্য রোগী ও তাঁদের পরিবারের তরফ থেকেও অভিযোগ উঠেছে, সংশ্লিষ্ট লিফটটি বেশ কয়েকদিন ধরেই খারাপ ছিল। তবুও লিফট ব্যবহারে কোনও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি, কোনও লিফটেই লিফটম্যান বা নিরাপত্তারক্ষীদের উপস্থিতি ছিল না বলেও অভিযোগ।
ঘটনার পর তদন্তে নামছে পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট (PWD)-এর দল। লিফটের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পিডব্লিউডির হলেও হাসপাতালের সামগ্রিক রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব স্বাস্থ্য দফতরের। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের নির্দেশে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল আর জি কর হাসপাতালে যাচ্ছে। পিডব্লিউডির চিফ ইঞ্জিনিয়ারও ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাচ্ছেন।
স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম জানিয়েছেন, “লিফট অপারেশনাল ছিল। গোটা ঘটনাটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” এই ঘটনায় হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
