বৃহস্পতিবার, বিকেলে নাম ঘোষণার পর থেকে জোরকদমে প্রচার শুরু করেন তিনি। আফরিন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ তাঁর জেতা নিয়ে। নিউজ ১৮ বাংলা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘আমি নিজে বালিগঞ্জ কেন্দ্রের ভোটার। এখানে এতদিন থাকার ফলে আমি জানি কী কী সমস্যার সম্মুখীন প্রতিনিয়ত মানুষ হচ্ছে। অর্ধেক স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, আর যে স্কুলগুলি আছে শিক্ষক-শিক্ষিকার অভাবে প্রায় বন্ধের পথে। অর্ধেক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিস্থিতি যা মানুষ যেতে ভয় পায়। তাছাড়া, চাকরি নেই, চাষিরা ফসলের দাম পাচ্ছে না, প্রতিদিন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ছে। এই সমস্যা শুধু একটি কেন্দ্রের নয়, গোটা রাজ্যের। এই সবকিছুর বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই। স্বাস্থ্য-শিক্ষা-চাকরি-খাদ্য সব কিছুর জন্য বামপন্থীরা এতদিন ধরে লড়ছে, আমিও এই লড়াইের একজন কর্মী।’
advertisement
প্রথমবার, সিপিআইএমের হয়ে বিধানসভা ভোটের প্রার্থী তিনি। তবে, আফরিনের রাজনীতিতে হাতেখড়ি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি বলেন, ‘আমি ছাত্রজীবন থেকেই এসএফআই করতাম। পরবর্তীতে রিসার্চ স্কলারের কাজের সঙ্গে যুক্ত হই। এখন আমি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন পিএইচডি স্কলার। দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদের লড়াইয়ের জন্য, রিসার্চ স্কলারদের লড়াইয়ের জন্য, তাঁদের দাবিদাওয়ার জন্য আন্দোলন করে এসেছি। এখনও সেই একই কাজ করবে শুধু পরিসরটা বড়।’
বালিগঞ্জ কেন্দ্রে আফরিনের প্রতিদ্বন্দ্বী ২ হেভিওয়েট। তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও বিজপির শতরূপা। অনেকদিন ধরেই রাজনীতির ময়দানে রয়েছেন তাঁরা। তাঁদের প্রসঙ্গে আফরিন বলেন, ‘তাঁরা দুজনেই আমার থেকে বয়সে অনেক বড় এবং অভিজ্ঞ। আমি তাঁদের বিরুদ্ধে কোনওরকম মন্তব্য করব না।’ দুই অভিজ্ঞ প্রার্থীর বিরূদ্ধে তাঁর ইউএসপি প্রসঙ্গে বামেদের নতুন মুখ আফরিন বলেন, ‘আমার সবচেয়ে বড় ইউএসপি বলুন প্লাস পয়েন্ট বলুন তা হল আমার মতাদর্শ। তার উপর আমার কাছে কিছু নেই। আমার এই মতাদর্শের জোরেই আমি বারবার লড়বো আর জিতব।’
