শুক্রবার আখতার আলির বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করেছিল আদালত। আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছিল তাঁকে। ঘটনাক্রমে শনিবার আদালতে হাজির হন আখতার। যদিও শেষমেশ আত্মসমর্পণ করা হয়নি। আবার সোমবার আত্মসমর্পণ করবেন বলে জানান তিনি।
সিবিআই সূত্রে খবর, শুক্রবার আলিপুর বিশেষ সিবিআই আদালতের নির্দেশ মেনেই গ্রেফতারির উদ্দেশে সিবিআই-এর টিম গিয়েছিল আখতারের বাড়িতে।
advertisement
জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করতেই সিবিআইয়ের উদ্যোগ। CBI বিশেষ আদালত শুক্রবার আখতারের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। শনিবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে আদালতে আত্মসমর্পণের জন্য গিয়েছিলেন আখতার। কিন্তু তাঁর আইনজীবী সঙ্গে না থাকার কারণে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে পারেননি। ফিরে গিয়েছিলেন। এর পরই সিবিআই তৎপর হয়ে ওঠে তাঁকে গ্রেফতারির জন্য। কিন্তু তাঁর দুটো ঠিকানায় গিয়েই হতাশ সিবিআই, নেই আখতার আলি, খালি হাতে ফিরতে হয় সিবিআই-কে।
উল্লেখ্য, আরজি করে চিকিৎসক-ছাত্রীর ধর্ষণ এবং খুনের সময় উঠে আসে আর্থিক দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগ। সেই সময় ওই মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ সন্দীপের বিরুদ্ধে আর্থিক কেলেঙ্কারি-সহ নানা অভিযোগ করেন তৎকালীন ডেপুটি সুপার আখতার। উচ্চ আদালতে মামলাও হয়। মামলার তদন্তভার যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই)-এর হাতে। তদন্ত এগোনোর পরে দেখা যায়, দুর্নীতি নিয়ে সরব হওয়া আখতার নিজেও আর্থিক কেলেঙ্কারিতে যুক্ত। তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা পড়ে আদালতে। কিন্তু একাধিক সমন সত্ত্বেও আদালতে হাজিরা দেননি তিনি। সিবিআই-এর অভিযোগ, অসুস্থতার ‘অজুহাতে’ কলকাতা হাই কোর্টে আগাম জামিনের জন্য আবেদন করেছিলেন আখতার। রক্ষাকবচের আর্জি খারিজ করে দেয় উচ্চ আদালত।
