একই গতিতে নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া চললে এপ্রিল প্রথম সপ্তাহের মধ্যে অ্যাডজুডিকেশন সম্পূর্ণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা। সেক্ষেত্রে ভোটের মনোনয়ন পর্বের মধ্যেই শেষ হতে পারে প্রক্রিয়া।
ইতিমধ্যে ১০-১২ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে ট্রাইবুনাল তৈরির ভাবনাও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওই সংখ্যক বিচারপতিদের মতামত চাওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পরই প্রস্তুতি জোরদার করেছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। গতকাল, রবিবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে জানিয়েছে, রাজ্যে দু’দফায় ভোটগ্রহণ হবে।
advertisement
নির্বাচন দফতর সূত্রে খবর, নির্বাচনী প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা চাওয়া হবে। পাশাপাশি ভোটগ্রহণের দিনক্ষণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পর্কেও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
এখনও পযর্ন্ত প্রায় ২০ লক্ষ ভোটারের নাম নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়েছে আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন লিস্টে। কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে এখন এই লিস্ট কবে প্রকাশ পাবে সেই নিয়ে আলোচনা চলছে হাইকোর্টের সঙ্গে। কমিশনের তরফে আগেই বলা হয়েছিল যত দফা নির্বাচন তত দফায় লিস্ট প্রকাশের সম্ভাবনা থাকবে। তবে কি দুই দফায় এই সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ পাবে? রোজ ১ থেকে ১.৫ লক্ষ ভোটারের নাম নিষ্পত্তি করা সম্ভব হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে কমিশন সূত্রে।
এদিকে ইতিমধ্যেই তুমুল তৎপরতা শুরু হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে। ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ ডিজি-এডিজি লেভেলের একগুচ্ছ পদে রদবদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। মুখ্যসচিবের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে নন্দিনী চক্রবর্তীকে। সরানো হয়েছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশপ্রসাদ মীনাকেও। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভোট শেষ না-হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজ করতে পারবেন না তাঁরা।
