এই প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে, বর্ধমান রেঞ্জের নতুন ডিআইজি করা হয়েছে শ্রীহরি পাণ্ডেকে। প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের নতুন ডিআইজি হলেন কঙ্করপ্রসাদ বাড়ুই। মুর্শিদাবাদ রেঞ্জের নতুন ডিআইজি অজিত সিং যাদব।
জলপাইগুড়ি রেঞ্জের নতুন ডিআইজি পদ সামলাবেন অঞ্জলি সিং। এবং রায়গঞ্জ রেঞ্জের নতুন ডিআইজি রাঠোর অমিত কুমার ভকত।
প্রসঙ্গত, ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই আধিকারিক স্তরে একের পর এক বদলের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার পরেই রাজ্যর মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ একাধিক আমলা এবং সিনিয়র আধিকারিকদের রাতারাতি বদলির নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন।
advertisement
এই বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশনকে চিঠিও পাঠান মুখ্যমন্ত্রী। চিঠিতে রাজ্যের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, কোনও নির্দিষ্ট অভিযোগ বা নির্বাচনী অনিয়মের কারণ দেখানো হয়নি। এত বড় মাত্রার বদলি ‘অযৌক্তিক’ ও ‘একতরফা’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে। অতীতে নির্বাচন কমিশন সাধারণত রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই এমন সিদ্ধান্ত নিত বলেও চিঠিতে জানানো হয়েছে। এবার সেই প্রচলিত রীতি মানা হয়নি বলেই অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর। প্রসঙ্গত, রাজ্যে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার পরপরই রাজ্যের প্রশাসনিক শীর্ষ আধিকারিকদের সরানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়ে প্রতিবাদও করতেও দেখা যায় তাঁকে। জানা গিয়েছে, চিঠিতে নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তে বিস্ময় ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা না করেই একতরফাভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত প্রথা ও কেন্দ্র–রাজ্যের সমন্বয়ের নীতি মানা হয়নি বলেও অভিযোগ তাঁর।
এতে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো বা ফেডারেলিজম ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল চেতনাই ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে চিঠিতে মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর।
কিন্তু, এরপরেও আধিকারিক স্তরে বদলি অব্যাহত রেখেছে নির্বাচন কমিশন। বুধবারেও পাঁচ ডিআইজি বদল করা হল।
