দক্ষিণবঙ্গের একাধিক সাংগঠনিক অঞ্চল থেকে ‘রথযাত্রা’ শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে দল। এই রথযাত্রাগুলি শেষ পর্যন্ত কলকাতার ব্রিগেড সমাবেশে এসে মিলিত হবে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দোলযাত্রার পরই রথযাত্রা কর্মসূচি শুরু হতে পারে, যাতে সর্বোচ্চ জনসমাবেশ নিশ্চিত করা যায়।
দুর্ঘটনায় ১.৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা! ‘PM রাহাত’ প্রকল্পে কারা পাবেন সুবিধা?
advertisement
আর্টস নিয়ে পড়েছেন? কী ভাবে রোজগার করবেন ‘মোটা টাকা’? এই ৮ পেশার যে কোনও একটা বেছে নিন!
১৪ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসে নির্বাচনী রণকৌশল চূড়ান্ত করে। বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রচার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এবারের নির্বাচনী ইস্তাহার তৈরিতেও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি। জনমত সংগ্রহ করে সেই মতামতকে ইস্তাহারে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একাধিক পর্যায়ে পরামর্শ প্রক্রিয়া চলছে, যাতে সাধারণ মানুষের অগ্রাধিকার ও স্থানীয় ইস্যুগুলি প্রতিফলিত হয়। প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও স্থানীয় নেতৃত্বের মতামত নেওয়া হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি। এবারের প্রচার কৌশলে মাইক্রো-লেভেল পদ্ধতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রভিত্তিক পৃথক “চার্জশিট” প্রকাশ করে স্থানীয় সমস্যা ও ভোটারদের উদ্বেগকে সামনে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
যদিও রথযাত্রা ও ব্রিগেড সমাবেশের তারিখ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি, তবে নির্বাচনী প্রচারের সূচনায় বড় আকারের কর্মসূচি দিয়ে রাজনৈতিক বার্তা দিতে প্রস্তুত বিজেপি—এমনটাই ইঙ্গিত মিলছে দলীয় মহল থেকে।
দোলযাত্রার পর থেকেই জনসংযোগের মাধ্যম হিসেবে বিধানসভা কেন্দ্র ভিত্তিক রথ বের করার পরিকল্পনা বিজেপির। এই কর্মসূচিকে কী ভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে, কম সময়ের মধ্যে প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্র এর মানুষের কাছে কিভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের সুবিধার দিকগুলি পৌঁছে দেওয়া সম্ভব-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে আগামিকাল বৈঠকে বঙ্গ বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। বেলা ১১টা নাগাদ সল্টলেকের হোটেলে হবে বৈঠক। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, ভূপেন্দ্র যাদব-সহ একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্বে উপস্থিত থাকবেন বৈঠকে। বিজেপি সূত্রে খবর কেন্দ্রীয় সরকারী প্রকল্পের একাধিক ব্যানার সম্বলিত চারটি রথ বের করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। তবে প্রয়োজনে রথের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও খবর।
