এদিন X হ্যান্ডলে একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ গণতন্ত্র শাস্তির মুখে। পুরস্কৃত অপরাধীরা। নির্বাচনে কারসাজি। ধর্ষকদের জামিন দেওয়া হয়। আর প্রতিবাদীদের পাঠানো হয় জেলে। এটাই বিজেপির নতুন ইন্ডিয়া।’
গতকাল মালদহের জনসভা থেকেও বিজেপিকে একহাত নেন অভিষেক। তিনি বলেন, ‘কর্ণাটক, তেলেঙ্গানাতে কংগ্রেস সরকার। মালদহ দক্ষিণের সাংসদ কংগ্রেসের। এদের থেকে কি আশা করেন? ইশা খান কি পারে না সেখানে ফোন করে বলতে তার জেলার মানুষকে হেনস্থা করছে। যারা এখানের মানুষদের বোকা ভাবে তারা ভুল করছে। মানুষ কিন্তু বোকা নয়। সব বুঝছে। কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নাম যদি হয় অমিত শাহ, বাংলার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০৩১ বিজেপির শেষ। শুধু নিজেরা ভাগ হবেন না। যারা ভাগ মমতা ভাগ বলেছিল, তারা আজ ভাগ বিজেপি ভাগ হয়ে গেছে।’
রাজ্য সরকারের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের দফতরে বৃহস্পতিবার সকালে হানা দেয় ইডি। তল্লাশি অভিযান চালানো হয় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতেও। ইডির তল্লাশির মধ্যেই প্রতীকের বাড়িতে পৌঁছে যান খোদ মমতা। এরপর আইপ্যাকের অফিসে ঢুকেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের মুখোমুখি হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা অভিযোগ করেন, “তোমরা সব চুরি করতে এসেছ। এটা কী ধরনের অভিযান? আমার এখানে অনেক নথি রয়েছে সেগুলি তোমরা নিতেই এসেছ।”
