শনিবারের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আদিবাসী একজন নারী এত বড় পদে হচ্ছে, তৃণমূলের সেটা সহ্য হচ্ছে না৷ দ্রোপদী মুর্মু অত্যন্ত সরল মানুষ৷ বাধ্য হয়ে নিজের দুঃখ ব্যক্ত করেছেন দেশের রাষ্ট্রপতি৷ তৃণমূল কোটি কোটি আদিবাসীকে অপমান করেছে৷ দেশের সর্বোচ্চ চেয়ারের গরিমাকে অপমান করেছে৷ বাবাসাহেব আম্বেদকরকে অপমান করেছে৷ দেশের সংবিধানকে অপমান করেছে৷ এর জবাব বাংলার মানুষ তৃণমূলকে দেবে৷’’
advertisement
তিনি বলেন, ‘‘বাংলায় সবচেয়ে বেশি প্রতারিত আদিবাসী সমাজ। কিছুদিন আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু আদিবাসী সমাজের মেয়ে বাংলায় এসেছিলেন। উনার আদিবাসী সমাজের অনুষ্ঠানে যোগদান এর কথা ছিল। কিন্তু অহংকারে ভরা এই নির্মম সরকার ওনার প্রোগ্রামের জমি দেয়নি অপমান করেছে । আদিবাসী সমাজের মেয়েদের অপমান করেছে এই সরকার। দুঃখী মনে দ্রৌপদী মুর্মু ফিরেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের মনে রাখতে হবে ওনারা কেবল দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান করেনি কোটি কোটি আদিবাসী সমাজের মানুষদের মেয়েদের অপমান করেছে সংবিধানকে অপমানিত করেছে দেশের সর্বোচ্চ পদকে অপমানিত করেছে। এর জবাব বাংলার মানুষ এই তৃণমূল কংগ্রেস সরকার কে দেবে৷’’
আরও পড়ুন: রোজ পরছেন, বলুন তো জুতোর পেছনে কেন থাকে এই ছোট্ট ‘ফিতে’? ৯৯% লোকজনই জানেন না এর আসল কাজ
প্রসঙ্গত, শিলিগুড়িতে আদিবাসীদের একটি সম্মেলনে এসে রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠান আয়োজনে অসহযোগিতার অভিযোগে সরব হন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু৷ রীতি মেনে মুখ্যমন্ত্রী অথবা রাজ্যের কোনও মন্ত্রী কেন তাঁকে স্বাগত জানাতে যাননি সেই প্রশ্নও তোলেন রাষ্ট্রপতি৷ আদিবাসীদের উন্নয়নেও বাধা সৃষ্টির অভিযোগে সরব হন তিনি৷ মুখ্যমন্ত্রীর নাম করেই রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘মমতাদিদি আমারও ছোট বোন৷ জানি না, হয়তো আমার উপরে কোনও কারণে রাগ করেছেন৷’ যদিও রাষ্ট্রপতির এই অভিযোগ উড়িয়ে তাঁর বিরুদ্ধে পাল্টা রাজনীতি করার অভিযোগে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷
