পশ্চিমবঙ্গের অভিযানে জলপাইগুড়ি জেলার নাগরাকাটা রেলওয়ে স্টেশনএবং চালসা রেলওয়ে স্টেশনের মধ্যবর্তী সেকশন, পাশাপাশি আলিপুরদুয়ার জেলার দলগাঁও রেলওয়ে স্টেশনের ইয়ার্ড এলাকাও অন্তর্ভুক্ত ছিল। অসমে জোরহাট জেলার মরিয়নি রেলওয়ে স্টেশনের কাছে এবং কামরূপ (মেট্রো) জেলার গুয়াহাটি রেলওয়ে স্টেশন এবং কামাখ্যা রেলওয়ে স্টেশনের মধ্যবর্তী রেল লাইনে ওএকই রকম উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
advertisement
অভিযানের সময় মোট ৩৭টি অননুমোদিত স্ট্রাকচার্স ভেঙে ফেলার পাশাপাশি রেলওয়ের জমি থেকে ছয়টি সিমেন্টের খুঁটি অপসারণ করা হয়েছে।এই অভিযানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল গুয়াহাটি রেলওয়ে স্টেশন এবংকামাখ্যা রেলওয়ে স্টেশনের মধ্যে বৃহৎ পরিসরে উচ্ছেদ অভিযান, যেখানে ৩৫টিঅননুমোদিত স্ট্রাকচার্স ভেঙে ফেলা হয়। এই উল্লেখযোগ্য সাফাই এই সেকশনেরসবচেয়ে ব্যাপক দখল-বিরোধী পদক্ষেপগুলির মধ্যে একটি এবং আশা করা হচ্ছেযে এটি ট্র্যাকের দৃশ্যমানতা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করবে, সুরক্ষা মানশক্তিশালী করবে এবং এই গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে করিডোরে ভবিষ্যতে দখল রোধকরবে।
আরও পড়ুন: রবিবার ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের মরণবাঁচন ম্যাচ! পিচ কেমন হতে পারে, জানালেন ইডেনের পিট কিউরেটর
উত্তর- পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে রেলওয়ে সম্পত্তি রক্ষা এবং যাত্রী ও ট্রেনচলাচলের জন্য একটি সুরক্ষিত এবং বাধামুক্ত পরিবেশ বজায় রাখার জন্যদৃঢ়ভাবে কাজ করে চলেছে। আরপিএফ এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সমন্বিতপ্রচেষ্টা ফলে রেলওয়ে ট্র্যাকে অসামাজিক কার্যকলাপ রোধেও সাহায্য করে।উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে জনসাধারণকে রেলওয়ের জমি অননুমোদিত দখলথেকে বিরত থাকার এবং রেলওয়ের সুরক্ষা বজায় রাখার জন্য পূর্ণসহযোগিতা করার আহ্বান জানায়।
উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, দীর্ঘদিন ধরে একাধিক প্রকল্পের কাজ আটকে আছে জমি সমস্যার কারণে। রেলের নিজস্ব জমি জবরদখল করে বসে আছেন অনেকে। তাই এই অভিযান চালিয়ে রেল নিজস্ব জমি পুনরুদ্ধার করছে।
