মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, নির্ধারিত সময়সীমা ছিল ১৪ তারিখ পর্যন্ত। কিন্তু সেদিনই বেলা তিনটে নাগাদ হঠাৎ করে লগ-ইন পোর্টাল ব্লক করে দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, এর ফলে বহু ‘জেনুইন’ ভোটার নথি জমা দেওয়ার সুযোগ পাননি এবং নিজেদের বক্তব্য জানাতে পারেননি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত মানুষের আবেদন নিষ্পত্তির সুযোগ না দিয়ে কেন প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হল?
advertisement
‘ভয় পাবেন না, রাজ্য সরকার পাশে রয়েছে’! জেলাশাসকদের মনোবল বাড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
আপনার শরীরে কি ক্যানসার বাসা বাঁধছে? মাত্র ৩০ মিনিটেই জানতে পারবেন! যুগান্তকারী পদক্ষেপ দেশে
সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এক বিজেপি নেতার কন্যা আইটি সেলের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, কী প্রক্রিয়ায় এই বিপুল সংখ্যক ভোটারকে বাদ দেওয়া হল, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। তিনি একে ‘দু নম্বরি’ প্রক্রিয়া বলে অভিহিত করেন।
তবে একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ওই ৫৮ লক্ষের মধ্যে কিছু অবৈধ নাম থাকতে পারে, কিন্তু বিপুল সংখ্যক বৈধ ভোটারও রয়েছেন। তাঁদের অধিকার খর্ব করা হলে তা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পক্ষে উদ্বেগজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পুরো বিষয়টি নিয়ে স্বচ্ছ তদন্ত এবং স্পষ্ট ব্যাখ্যার দাবি তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ভোটাধিকার গণতন্ত্রের মৌলিক ভিত্তি, এবং সেই অধিকার যাতে অন্যায়ভাবে খর্ব না হয়, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
