#বেলেঘাটা: রবিবাসরীয় দুপুরেই যে বিপদ ওঁত পেতে রয়েছে, তা জানা ছিল না মালু পরিবারের। দুপুর সাড়ে বারোটার কিছু সময় পরেই হঠাৎই বাড়ির বেল বাজে। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন শিশু কন্যার মা সন্ধ্যা মালু। সেই বেলের আওয়াজ শুনেই চলে আসেন বাড়ির দরজায়। দরজা খুলতেই এক অচেনা ব্যক্তি চান আবাসনের ছাদের চাবি। কোনও সন্দেহ না করেই স্পষ্ট জানানো হয় চাবি আছে আয়া-র কাছেই, তিনিও ছাদে। তারপরে দরজা বন্ধ করতে যেতেই জোর করে ঘরে যাওয়ার চেষ্টা করে ঐ অচেনা ব্যক্তি। বাধা দিতে গেলে জোর করে ঘরে ঢুকে যায় সে।
advertisement
সঙ্গে গৃহবধূকে চলে মারধর ৷ এরপরেই ঘরে রাখা টিভি স্ট্যান্ডের পাশে পড়ে জ্ঞান হারান তিনি। তার কিছু সময় পরে শিশু কন্যার দাদু ঘরে আসতেই দেখেন দরজা খোলা ৷ প্রথমে সন্দেহ না হলেও দেখেন পুত্রবধূ পড়ে আছে ঘরে। ঘরের ভিতর গিয়ে দেখেন দুই মাসের কন্যা সন্তান ছিনতাই হয়ে গিয়েছে। তারপরেই খবর যায় বেলেঘাটা থানায়। আবাসনের নিরাপত্তারক্ষী ও আয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় থানায়। পরবর্তীকালে পুলিশ আবাসনে এসে সিসিটিভির সন্ধান করলে জানতে পরে দীর্ঘদিনের আবাসনে সিসিটিভি বসানো হয়নি। ডিসি ইএসডি অজয় প্রসাদ নিজে ঘটনাস্থলে এসে সন্ধান চালান সিসিটিভির।
রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজ ও আশপাশের কিছু সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়। এছাড়া মালু পরিবারের দম্পতির কল ডিটেইলস খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ডিসি ইএসডি অজয় প্রসাদ জানান তদন্ত চলছে, সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক পর্যায়ে আছে তদন্ত। পুলিশ সূত্রের খবর, চেনা পরিচিত কোনও ব্যক্তির এই কাজ কিনা সেটাই নিশ্চিত করা হচ্ছে। কারণ ঐ পাঁচ তলা আবাসনের দশটি ঘর থাকলেও পাঁচজনের বাস, তিনজনই ছাদের চাবি রাখেন ঘরে। মালু পরিবারের কাছেই যে চাবি আছে তা কি করে জানলো? পুরো বিষয়টি তদন্তে বেলেঘাটা থানা
