নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সাসপেন্ড হওয়ার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ময়নাগুড়ি ব্লকে কর্তব্যরত এইআরও ডালিয়া রায় চৌধুরীকে ডেকে পাঠালেন জলপাইগুড়ি জেলা শাসক। ময়নাগুড়ি বিডিওকে সঙ্গে নিয়ে জেলা শাসকের দফতরে আসেন সাসপেন্ড হওয়া ময়নাগুড়ির এইআরও ডালিয়া রায় চৌধুরী।
ময়নাগুড়ি নারী উন্নয়ন আধিকারিক পদে কর্মরত ডালিয়া রায় চৌধুরী। এসআইআর পর্বে তাকে এইআরও র দায়িত্ব দেওয়া হয়। জেলা শাসকের দফতর থেকে বেরিয়ে ডালিয়া রায় চৌধুরীর দাবি, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনেই কাজ করেছেন। কোনও অন্যায় কাজ তিনি করেননি।কেনও নির্বাচন কমিশন সাসপেন্ড করলো এই নিয়ে তিনি নিজেও ধোঁয়াশায় বলে দাবি করেন ডালিয়া রায় চৌধুরী।
advertisement
ডালিয়া রায় চৌধুরী বলেন, ‘আমার পক্ষ থেকে একশো শতাংশ দিয়ে কাজ করেছি৷ আর কিছু বলছি না৷ আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আমাকে সঠিক ভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছিল, আমি সেই অনুযায়ী কাজ করেছি৷ কেন আমাকে সাসপেন্ড করা হল ওনারাই বলতে পারবেন, আমি নিজেও ঠিক মতো জানি না এখন কী করব৷’
নির্বাচন কমিশনের শাস্তির কোপে পড়ায় শুধু এসআইআর-এর কাজ নয়, অন্তত তিন মাসের জন্য এই আধিকারিকদের বসিয়ে দিতে হবে রাজ্য সরকারকে৷ পঞ্চাশ শতাংশ বেতন পাবেন এই আধিকারিকরা৷ ফলে তাঁদের সার্ভিস রুল ব্রেক হবে৷ আপাতত তিন মাস এই শাস্তি কার্যকর থাকবে৷
তিন মাস পরে রাজ্য সরকার চাইলে সেই সাসপেনশন প্রত্যাহার করতে পারে তবে অবশ্যই সেটা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে প্রত্যাহার করতে হবে। এ ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার একটা কমিটি তৈরি করবে, সেই কমিটির সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই রাজ্য সরকার শাস্তি প্রত্যাহারের কথা নির্বাচন কমিশনকে জানাতে পারে।
যে পদে তাঁরা চাকরি করছিলেন সেই পদে তাঁরা আর চাকরি করতে পারবেন না। নির্বাচন কমিশন যদি তাঁদের সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নেয় তবুও সেই পদে আর ফিরতে পারবেন না ওই এইআরও-রা৷
