মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ‘মনে রাখবেন মৃত আত্মা ঘুরে বেড়াচ্ছে। ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। অনেক প্ল্যান করছেন। ইভিএমে কারচুপি করতে চাইছেন। এখানে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণ কী? মেয়েরা বিয়ের পরে শ্বশুরবাড়ি যায়। অনেকে নতুন ফ্ল্যাটে যায়। আপনি এআই দিয়ে নাম কেটেছেন। অনেকে স্ট্রোকে মারা গেছেন। পলিটিক্যাল স্ট্রোক। সবাইকে গ্রাস করছেন। আর কতদিন বিজেপির দালালি করবেন? আমি চ্যালেঞ্জ করছি বিজেপির গুন্ডা, দাঙ্গাকারী নেতাদের। এজেন্সি দিয়ে এখানে কাগজ বিলি করতে কেন এসেছিলেন?”
advertisement
মমতার নিশানা আমলাদের একাংশকেও। পাশাপাশি সেনা নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, ”কোথাও কোথাও আর্মিতেও পার্টি অফিস বানিয়েছিল। তাই আমাদের মঞ্চ ভেঙে দিতে গিয়েছিল। ওরা কিন্তু কোনও দিন এ সব করে না। চিরদিন নিরপেক্ষ থেকেছে। এখন একপক্ষ হয়ে গেছে সবাই। বিশেষ করে এজেন্সিগুলো। কেন্দ্রের কাউকে ডাকুন। রেলের কাউকে ডাকলে যাচ্ছেই না। যদি ট্রান্সফার করে দেয়। চাকরিটা আমিই দিয়েছিলাম। যারা আজকের এগুলো করছে। রেকর্ড কিন্তু থেকে যাচ্ছে। কাল বিজেপি চলে যাবে। তখন কোথায় যাবেন? তখন তো আমি আপনাকে ফার্স ট্রান্সফার করব।”
কমিশনকে নিশানা করে মমতা বলেন, ”অফিসারদের ভয় দেখাচ্ছেন যাঁরা, তাঁদের বলব মূর্খের স্বর্গে বাস করছেন। এখানকার মানুষ মাথানত করবে না। আর মে মাসের পর (ভোটের পর) দু’মাস আপনি একটু জবরদস্তি করবেন। ট্যাক্টফুললি হ্যান্ডল করে নেবেন অফিসাররা। তার পর আপনি নিজে কোথায় থাকবেন, তার ঠিক নেই। আপনি মে-র পরেও ব্যবস্থা নেবেন? যেন ‘সুপার গড’ হয়ে গিয়েছে! স্পাইডারম্যান হয়ে গেছে! যা ইচ্ছে তাই করতে পারে। ওটা তো ছোটদের ভয় দেখানোর জন্য। এখানে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছেন। একদিন আপনাদের মানুষের পায়ে পড়তে হবে। আপনাদের মতো লোক থাকলে গণতন্ত্রের সর্বনাশ হয়।” বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ”বাংলার জন্য হ্যাংলা হয়ে গিয়েছে।”
আবীর ঘোষাল
