আজ ধৃতদের শিয়ালদহ আদালতে পেশ করা হয়। সওয়াল-জবাব শেষে ধৃতদের জামিনের আবেদন খারিজ করা হয়। ৫ অভিযুক্তকে আগামী পয়লা এপ্রিল পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় শিয়ালদহ আদালত।
এই প্রসঙ্গেই, সরকারি পক্ষের আইনজীবী আদালতকে জানান, “যে কেউ লিফট ম্যান হন না । প্রশিক্ষণের পর লাইসেন্স পান লিফট ম্যানরা। ওনারা এখন লিফটের বিভ্রাটকে দোষ দেখিয়ে নিজেরা বাঁচতে চাইছেন। ঘটনার সময় কোথায় ছিলেন তাঁরা? ওনারা ডিউটির সময় লিফট ফাঁকা রেখে অন্যত্র ছিলেন। ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় সমস্তটাই ধরা পড়েছে। কে কোথায় ছিলেন? কখন এলেন- সবটাই ফুটেজ আছে।
advertisement
এরপরেই সরকারি আইনজীবী বলেন, ” তাঁরা কেউই কর্তব্য পালন করেনি। এটা গাফিলতি না কি ইচ্ছাকৃত অবহেলা, তার তদন্ত চলছে। সাতদিনের হেফাজতে দেওয়া হোক।”
অন্যদিকে জামিনের আবেদন করেন অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবীরা এই প্রসঙ্গে আইনজীবীরা বলেন, “এই ঘটনার দায় আমাদের নয়। আমরা চাকরি করি। গরিব বলে আমাদের ফাঁসানো হচ্ছে । যিনি নজরদারি করেন, তাঁকে জানানো হয়েছিল। কেন তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করছে না পুলিশ? লিফটের যান্ত্রিক ত্রুটির দায় কেন আমাদের হবে?”
