সোশ্যাল মিডিয়ায় কুণাল লেখেন, ”সিপিএমের যারা এখন ‘দলে আছি, দলে থাকব’ বলে বেশি লাফাচ্ছে, এই প্যাথলজিকাল ফেরেব্বাজগুলোই বিজেপিকে ভোট দেয়। তাই সিপিএমের ভোট কমে, বিজেপির একটু বাড়ে। এরা হাতে বিজেপির পতাকা নিয়ে দলবদল করে না, আঙুলের চাপে ও ছাপে ভোটবদল করে। এরা ভোটবদলু। তৃণমূল বিধানসভায় এবার 250+।”
advertisement
এর আগে প্রতীক উর রহমান সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ”যে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ওদের এত অভিযোগ ছিল, তাদের সঙ্গে জোট গড়তে ওদের নীতিতে বাধেনি। কেরলে যে কংগ্রেস খারাপ, বাংলায় সেটা ভাল। বাংলায় যে সিদ্ধার্থশংকর রায়, অধীর চৌধুরীর কংগ্রেস খারাপ ছিল, ২০১১ সালে ক্ষমতাচ্যুতির পর নিজেদের দুর্বলতা কাটাতে সেই কংগ্রেসেরই পদলেহন।’ অতীত তুলে ধরে তিনি আরও লিখেছিলেন, ‘সিপিএম থেকে গুচ্ছের নেতা, শংকর ঘোষ থেকে বঙ্কিম ঘোষ বেরিয়ে বিজেপিতে গেছেন। ওরা সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় থেকে সইফুদ্দিন চৌধুরী, সমীর পুততুন্ড, সবাইকে অপমান করেছে।’
প্রসঙ্গত, সমস্ত জল্পনা সত্যি করে গত ২১ ফেব্রুয়ারি সিপিএমের তরুণ কমরেড প্রতীক উর রহমান যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তাঁর এই দলবদলের পরই আলিমুদ্দিনের তরফে বহিষ্কার করা হয়েছে প্রতীক উরকে। অন্যদিকে বামেদের তরফে প্রতীক উরের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে আক্রমণ। এহেন পরিস্থিতির মাঝেই সিপিএমকে একহাত নিলেন কুণাল।
