শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, দেশের মোট ২৯ টা রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ব্যাঙ্কের শাখা রয়েছে ৷ ৭০০টি শাখার পাশাপাশি ২১৪২টি ‘ডোরস্টেপ সার্ভিস সেন্টার ’ মাত্র এক বছরের মধ্যেই গড়ে তুলতে সফল হয়েছে বন্ধন ব্যাঙ্ক ৷ গত বছর ২৩ অগাস্ট যাত্রা শুরু করার পর ব্যাঙ্কের এখনও পর্যন্ত মোট আমানতের পরিমাণ ১৬ হাজার কোটি টাকা ৷ এক বছরের মধ্যেই সেভিংস অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ৯০ লক্ষ।
advertisement
সপ্তাহে সাত দিন ব্যাঙ্ক খোলা রাখার অভ্যাসও দেশে প্রথম চালু হয়েছে বন্ধনের হাত ধরেই। সহজ সরল ব্যাঙ্কিং পরিষেবার পাশাপাশি তাই ‘কথা রাখা’কেও পথ চলার পুঁজি করেছে বন্ধন ব্যাঙ্ক। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাঙ্কিং পরিষেবার স্বপ্ন নিয়ে এগোচ্ছে বন্ধন ৷ সেই কাজে প্রথম বছরে অনেকটাই সফল তারা ৷ গোয়া, কাশ্মীর এবং আন্দামান-নিকোবরেও খুব তাড়াতাড়ি ব্যাঙ্কের শাখা খোলা হবে বলে জানিয়েছেন ব্যাঙ্কের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রশেখর ঘোষ ৷
গত আর্থিক বছরে কার্যত ৭ মাস ৭ দিন কাজ করেছে তারা। তাতে কর দেওয়ার পরে মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২৭৫.২৫ কোটি টাকা। মোট আয় ১,০৮২.৭১ কোটি। তার মধ্যে সুদ থেকে নিট আয় ৯৩২.৭২ কোটি। মোট ধার দেওয়া হয়েছে ১৫,৪৯৩.৯৭ কোটি টাকা। এক বাঙালির স্বপ্নের প্রজেক্ট এত সাফল্য পাওয়ার পর প্রথম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে এসে আপ্লুত রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ও ৷ তিনি বলেন, ‘‘ গত বছর বন্ধনের যাত্রা শুরুর অনুষ্ঠানেই আসার কথা ছিল আমার ৷ সেবার আসতে না পারলেও ব্যাঙ্কের প্রথম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে থাকতে পেরে আমি আপ্লুত ৷ বীরভূমে আমার গ্রাম কীর্ণহারে এক অনুষ্ঠানে প্রথম বন্ধন ব্যাঙ্কের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রশেখর ঘোষের সঙ্গে আমার পরিচয় হয় ৷ একটা মাইক্রো ফাইন্যান্সের প্রতিষ্ঠানকে শেষপর্যন্ত ব্যাঙ্কে পরিণত করতে পারাটা সত্যি দারুণ ৷ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক যখন নতুন ব্যাঙ্ক লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল ৷ সেখানে লাইসেন্স পেতে সফল হয়েছিল বন্ধন ৷ আর এই এক বছরে খুবই ভাল কাজ করেছে এই ব্যাঙ্ক ৷ যেখানে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা এখনও পৌঁছনো সম্ভব হয়নি , সেখানকার মানুষদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ ৷’’
