দমদমের বাসিন্দা সীমা বিশ্বাস শুক্রবার নিউমার্কেটে এসেছিলেন কেক তৈরির উপকরণ কিনতে। তিনি বলেন, "প্রতিবছরই নিউমার্কেট থেকে কেক কিনে নিয়ে যাই। এ বারেও সেই কারণে আসা। তবে কেক কেনার পাশাপাশি কেক তৈরির উপকরণও নিয়ে যাবো। ড্রাই ফ্রুটস থেকে শুরু করে কেক তৈরির বিভিন্ন রকমের ছাঁচ এখানে পাওয়া যায়। সেগুলো দিয়ে বড়দিনে এ বার বাড়িতে কেক বানানো হবে।"
advertisement
আরও পড়ুনঃ গাছে আঘাত করলেই ক্ষতস্থান থেকে গলগল করে রক্ত বেরোচ্ছে! ব্যাপক চাঞ্চল্য হাওড়ায়
আগরপাড়ার বাসিন্দা সোমা মুখোপাধ্যায় বলেন, "বাইরের জিনিস যতই ভাল হোক না কেন, বাড়ির জিনিসের স্বাদই আলাদা। ইউটিউব থেকে কেক বানানো শিখেছি। সেই কেক পরিবারের লোকেদের বানিয়ে খাইয়েছি। তাঁরা অনেক উৎসাহ দিয়েছে। তাই বড়দিনে এ বার বাড়িতেই কেক বানাব। সেই কেক বানিয়ে ইউটিউবেই ছাড়ব। ফেসবুকে ছবি দেবো। এ সব ভেবেই উত্তেজিত হচ্ছি।"
আরও পড়ুনঃ লটারি কেটে প্রথম পুরস্কার ১ কোটি! বাসের খালাসি উৎপল আতঙ্কে-ভয়ে কাঁটা
কলকাতার কাছে একটি কেকের কারখানাতেই কাজ করতেন জয়নগরের বাসিন্দা শৈবাল বসু। লকডাউনে কাজ হারানোর পরে বাড়িতেই কেকের ব্যবসা শুরু করেন। তিনি বলেন, "লকডাউনে কাজ চলে যায়। কেক বানানো ছাড়া আমি আর কোনও কাজ জানি না। তাই কোথায় কাজ করার সুযোগ ছিলো না। তাই ভেবেছিলাম কেকই বানাবো। প্রথমে বন্ধুবান্ধব, পাড়া প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনদের কেক খাওয়ালাম। আসতে আসতে দু-একজন করে খদ্দের বাড়ল। এখন জন্মদিন, বিয়েবাড়িতে কেক দিই। কেকের চাহিদা এখন অনেকটাই বেড়েছে। কয়েকজন লোক নিয়োগ করতে হয়েছে। বড়দিনের কেক তৈরি হয়ে গিয়েছে। তবে বেশকিছু স্পেশ্যাল কেকের অর্ডার পেয়েছি। তারই উপকরণ নিয়ে এসেছি। হ্যাঁ এখন বাড়িতে কেক তৈরির ঝোঁক বেড়েছে মানুষের। বড় কোম্পানির পাশাপাশি হোম মেড কেক খেতে পছন্দ করছে মানুষ। ফলে একদিকে যেমন মানুষের মুখের স্বাদ বদলাচ্ছে। অন্যদিকে, আমাদের মতো ছোটখাটো ব্যবসায়ীরা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারছে।"
UJJAL ROY
