মেট্রোর তরফে জানানো হয়েছে, ” দক্ষিণেশ্বরে হঠাৎ একটি সিগন্যালে সমস্যার খবর পাওয়া যায়। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বরাহনগর ও শহিদ ক্ষুদিরাম স্টেশনের মধ্যে সীমিত (ট্রাঙ্কেটেড) মেট্রো পরিষেবা চালানো হচ্ছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং রেক চলাচল নিশ্চিত করতে দক্ষিণেশ্বর স্টেশনে রিপোর্ট হওয়া সমস্যাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই দ্রুত মেট্রো পরিষেবা স্বাভাবিক করা হবে।”
advertisement
গতকাল, বৃহস্পতিবারও ভোগান্তিতে পড়েন মেট্রোযাত্রীরা। রবীন্দ্র সরোবর স্টেশনে মেট্রোর লাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এক জন। ফলে বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্লু লাইনে টানা এক ঘণ্টা মেট্রো পরিষেবা ব্যাহত হয়। মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ জানায়, ৫টা ৪৭ মিনিট থেকে পরিষেবা স্বাভাবিক হয়েছে। তার আগে পর্যন্ত ভাঙা পথে পরিষেবা চলে। কলকাতা মেট্রোর ব্লু লাইনে প্রায়ই আত্মহত্যার চেষ্টা হয়। অন্যান্য নতুন তৈরি রুটগুলিতে সাবধানতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলেও সবচেয়ে পুরনো এই রুটে তা করা যায়নি। অন্য রুটে মেট্রোর লাইন পাঁচিল দিয়ে ঢাকা থাকায় সেখানে ঝাঁপ দেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু ব্লু লাইন দীর্ঘ দিন ধরেই কর্তৃপক্ষের মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে।
গত মাসেও সিগন্যালের সমস্যা দেখা গিয়েছিল কলকাতা মেট্রোয়। দক্ষিণেশ্বর স্টেশনে সিগন্যাল সমস্যার কারণে আধঘণ্টার বেশি ভাঙাপথে মেট্রো চলে ব্লু লাইনে। সাতসকালে মেট্রো বিভ্রাটে সমস্যায় পড়েন নিত্যযাত্রীরা। সিগন্যালে সমস্যা দেখা দেওয়ায় তড়িঘড়ি পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। দক্ষিণেশ্বর থেকে বরাহনগর পর্যন্ত আপ এবং ডাউন লাইনের পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ থাকে সেই সময়ে। মেট্রো চলে বরাহনগর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত। মেট্রো সূত্রে জানানো হয়, সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ পুরোপথে পরিষেবা চালু হয়। তবে পরিষেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও কিছুটা সময় লাগে।
