সকাল ৭টার কিছু পর থেকেই সেন্ট্রাল থেকে মহানায়ক উত্তমকুমার স্টেশন পর্যন্ত প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা বন্ধ থাকে পরিষেবা। দক্ষিণেশ্বর থেকে সেন্ট্রাল পর্যন্ত এবং মহানায়ক উত্তমকুমার থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত ভাঙা পথে চলাচল করতে থাকে মেট্রো। পরে সকাল ৮টা নাগাদ দক্ষিণেশ্বর থেকে ময়দান পর্যন্ত পরিষেবা চালু করা হয়। তবে সম্পূর্ণ পথে পরিষেবা এখনও চালু হয়নি। আপাতত ভাঙা পথে পরিষেবা চালু রয়েছে।
advertisement
জানা যায়, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জেরে নেতাজি ভবন-রবীন্দ্র সদনের মাঝে সুড়ঙ্গের মধ্যে আটকে যায় মেট্রো। সুড়ঙ্গ দিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় যাত্রীদের। সকাল ৭টা ২৫ থেকে পরিষেবা বিভ্রাট। যদিও
ময়দান-দক্ষিণেশ্বর মেট্রো চলছে। মেট্রো চলছে টালিগঞ্জ-ক্ষুদিরাম পর্যন্ত। মেট্রোর তরফে জানানো হয়েছে, উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। সমস্ত যাত্রীকে নিরাপদে নেতাজি ভবন স্টেশনে নিয়ে আসা হয়েছে। আপাতত ময়দান–দক্ষিণেশ্বর এবং মহানায়ক উত্তম কুমার–শহিদ ক্ষুদিরাম স্টেশনের মধ্যে সীমিত (ট্রাঙ্কেটেড) পরিষেবা চালু রয়েছে। খুব শীঘ্রই পরিষেবা স্বাভাবিক হবে।
সকাল ৭টার কিছু পর থেকেই এই বিভ্রাট শুরু হয়। দক্ষিণেশ্বর স্টেশনে সকাল ৭.২০ মিনিট নাগাদ ঘোষণা করা হয়, আপাতত দক্ষিণেশ্বর থেকে সেন্ট্রাল এবং মহানায়ক উত্তমকুমার থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত পরিষেবা পাওয়া যাবে।
আরও পড়ুন:রাজ্য জুড়ে জাঁকিয়ে শীতের পূর্বাভাস ! এই ঠান্ডা আর কত দিন চলবে?
অন্যদিকে, রবিবারেও ব্যহত হয় ব্লু লাইনে মেট্রো পরিষেবা ৷ টালিগঞ্জ থেকে রবীন্দ্র সদনের দিকে যাওয়ার লাইনে আত্মহত্যার জেরে বিকেল ৬:৩২ থেকে দক্ষিণেশ্বর এবং শহীদ ক্ষুদিরাম থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার স্টেশনের মধ্যে চলাচলকারী পরিষেবাগুলি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়৷ শহরের যাতায়াত ব্যবস্থার ভরকেন্দ্র হল মেট্রো৷ এর মধ্যে ব্লু লাইন মেট্রোকে কলকাতার ‘লাইফলাইন’ বলা হয়৷ ফলে মেট্রো পরিষেবা ব্যহত হওয়ায় বিপাকে পড়েন যাত্রীরা৷ বিশেষত ব্যস্ত সময়ে পরিষেবা ব্যাহত হওয়ায় ভোগান্তির শিকার হন যাত্রীরা।
