এদিন এই জনস্বার্থ মামলা প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘‘আমরা চাই শুনানি হোক। কেন এগুলো নিয়ে বিতর্ক হবে। আমরা চাই এগুলো নিয়ে বিতর্ক বন্ধ করে শুনানি করা হোক৷’’
advertisement
গত ১১ ফেব্রুয়ারি জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে নির্দিষ্ট গাইডলাইন প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক৷ নতুন গাইডলাইনে বলা হয়, সমস্ত সরকারি অনুষ্ঠান এবং স্কুলে জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-র আগে গাইতে বা বাজাতে হবে ‘বন্দে মাতরম’৷ যখন জাতীয় গান চালানো বা গাওয়া হবে, তখন উপস্থিত সকলের উঠে দাঁড়ানোও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে৷
প্রসঙ্গত, ১৮৭০ সালে ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসের অংশ হিসাবে এই গান রচনা করেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়৷ স্বাধীনতা পরবর্তী ক্ষেত্রে ১৯৫০ সালে ‘বন্দে মাতরম’-এর দু’টি স্তবককে জাতীয় গান হিসাবে গ্রহণ করা হয়৷
আরও পড়ুন: ‘আর কোনও উপায় নেই’! রাজ্যের ভূমিকায় উষ্মাপ্রকাশ, তবে কমিশনের আর্জিও মানল না আদালত
‘বন্দে মাতরম’ গানের সার্ধশতবর্ষ হিসাবে এক বর্ষ ব্যাপী উদযাপন অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে কেন্দ্র৷ ১৯৩৭ সালে কংগ্রেস নেতা জওহরলাল নেহরু কর্তৃক গানটির প্রথম দু’টি স্তবক বেছে নেওয়া নিয়েও কেন্দ্র-কংগ্রেস তর্ক বাঁধে সংসদে৷ এর মাঝেই কেন্দ্রের এই নতুন গাইডলাইন৷
নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, দেশজুড়ে সমস্ত প্রতিষ্ঠান, সরকারি অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে বা বাজাতে হবে৷ তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হন, এক্ষেত্রে, ‘বন্দে মাতরম’-এর সব ক’টি অর্থাৎ, ৬টি স্তবকই গাওয়া হবে৷ যে চারটি স্তবক কংগ্রেসের তরফে সরকারি ক্ষেত্রে বাদ দেওয়া হয়েছিল, সেগুলিও এখন থেকে সমস্ত সরকার অনুষ্ঠান এবং স্কুলে গাওয়া অথবা বাজানো হবে৷ যখন কোনও অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ এবং জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার কথা থাকবে, সেখানে জাতীয় গান, জাতীয় সঙ্গীতের আগে গাইতে হবে৷
