advertisement

Supreme Court on SIR: ‘আর কোনও উপায় নেই’! রাজ্যের ভূমিকায় উষ্মাপ্রকাশ, তবে কমিশনের আর্জিও মানল না আদালত

Last Updated:
আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি একটি তালিকা প্রকাশ করতে পারবে কমিশন৷ সেই তালিকায় যে সমস্ত ভোটারের নামে কোনও সমস্যা নেই বা সমস্তার নিষ্পত্তি হয়েছে, তাঁদের নাম থাকবে৷ তবে এটাই চূড়ান্ত তালিকা হবে না৷
1/9
নয়াদিল্লি: বিশ্বাসহীনতার সমস্যা হচ্ছে রাজ্য এবং জাতীয় নির্বাচন কমিশনের মধ্যে৷ ‘ট্রাস্ট ডেফিসিট’৷ তাই হয় রাজ্যের বাইরে থেকে যথাযথ আধিকারিক এনে সময়ে এসাইআর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হোক, নাহলে কলকাতা হাইকোর্টের নজরদারিতে৷ সুপ্রিম কোর্টে এসআআর মামলার শুনানি চলাকালীন দু’পক্ষের সামনে এই দুই বিকল্পই তুলে ধরলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত৷
নয়াদিল্লি: বিশ্বাসহীনতার সমস্যা হচ্ছে রাজ্য এবং জাতীয় নির্বাচন কমিশনের মধ্যে৷ ‘ট্রাস্ট ডেফিসিট’৷ তাই হয় রাজ্যের বাইরে থেকে যথাযথ আধিকারিক এনে সময়ে এসাইআর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হোক, নাহলে কলকাতা হাইকোর্টের নজরদারিতে৷ সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানি চলাকালীন দু’পক্ষের সামনে এই দুই বিকল্পই তুলে ধরলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত৷
advertisement
2/9
এদিন সুপ্রিম কোর্ট বেনজির নির্দেশে জানিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টের নজরদারিতে এসআইআর প্রক্রিয়ার বাকি কাজ সম্পন্ন করা হবে৷ পাশাপাশি, যতদূর পর্যন্ত ‘আন ডিসপিউটেড’ ভোটারের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, সেই তালিকা আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রকাশ করতে পারবে কমিশন৷ বাকি যে সমস্ত মামলার নিষ্পত্তি পরে হবে, তার নাম পরে পরে প্রকাশ করা যেতে পারে৷
এদিন সুপ্রিম কোর্ট বেনজির নির্দেশে জানিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টের নজরদারিতে এসআইআর প্রক্রিয়ার বাকি কাজ সম্পন্ন করা হবে৷ পাশাপাশি, যতদূর পর্যন্ত ‘আন ডিসপিউটেড’ ভোটারের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, সেই তালিকা আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রকাশ করতে পারবে কমিশন৷ বাকি যে সমস্ত মামলার নিষ্পত্তি পরে হবে, তার নাম পরে পরে প্রকাশ করা যেতে পারে৷
advertisement
3/9
এদিন আদালতে রাজ্যের বিরুদ্ধে ফের ‘অসহযোগিতা’র অভিযোগ তোলে নির্বাচন কমিশন৷ দাবি করে, তাঁদের কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে৷ তাছাড়া, কমিশনের প্রয়োজন মতো যথেষ্ট ‘কোয়ালিফায়েড’ অফিসার নিয়োগ করা হয়নি৷ এরপরেই, কমিশনের তরফে ৬৯ এসডিও-র একটি তালিকা আদালতে জমা দেওয়া হয়৷
এদিন আদালতে রাজ্যের বিরুদ্ধে ফের ‘অসহযোগিতা’র অভিযোগ তোলে নির্বাচন কমিশন৷ দাবি করে, তাঁদের কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে৷ তাছাড়া, কমিশনের প্রয়োজন মতো যথেষ্ট ‘কোয়ালিফায়েড’ অফিসার নিয়োগ করা হয়নি৷ এরপরেই, কমিশনের তরফে ৬৯ এসডিও-র একটি তালিকা আদালতে জমা দেওয়া হয়৷
advertisement
4/9
এরপরই রাজ্যের উপর খানিক বিরক্তি প্রকাশ করে আদালত৷ বলে, ‘‘আমরা ইআরওদের বিষয়ে জানতে চাইছি। আমরা হতাশ রাজ‍্যের তরফে এরকম ব‍্যবহার দেখে৷ আপনারা তাহলে জানিয়ে দিন, আপনাদের কাছে আধিকারিক নেই। তাহলে ওঁরা বাইরে থেকে নিয়ে আসবেন। আপনারা একজন ক্লার্ককে প্রোমোশন দিয়ে এক্সট্রা জুডিশিয়াল ক্ষমতা দিতে পারেন না’’
এরপরই রাজ্যের উপর খানিক বিরক্তি প্রকাশ করে আদালত৷ বলে, ‘‘আমরা ইআরওদের বিষয়ে জানতে চাইছি। আমরা হতাশ রাজ‍্যের তরফে এরকম ব‍্যবহার দেখে৷ আপনারা তাহলে জানিয়ে দিন, আপনাদের কাছে আধিকারিক নেই। তাহলে ওঁরা বাইরে থেকে নিয়ে আসবেন। আপনারা একজন ক্লার্ককে প্রোমোশন দিয়ে এক্সট্রা জুডিশিয়াল ক্ষমতা দিতে পারেন না’’
advertisement
5/9
কমিশন আদালতকে জানায়, ‘‘মাদের কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে৷’’ যদিও রাজ্যের তরফে আইনজীবী সিব্বল তেমন অভিযোগ নস্যাৎ করে দেন৷ অভিযোগ তোলেন, নথি আপলোড আটকে দিয়েছে কমিশন৷ আদালত ২১ তারিখ পর্যন্ত নথি আপলোডের সময় দিলেও গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকেই নথি আপলোড বন্ধ করে দিয়েছে কমিশন৷
কমিশন আদালতকে জানায়, ‘‘আমাদের কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে৷’’ যদিও রাজ্যের তরফে আইনজীবী সিব্বল তেমন অভিযোগ নস্যাৎ করে দেন৷ অভিযোগ তোলেন, নথি আপলোড আটকে দিয়েছে কমিশন৷ আদালত ২১ তারিখ পর্যন্ত নথি আপলোডের সময় দিলেও গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকেই নথি আপলোড বন্ধ করে দিয়েছে কমিশন৷
advertisement
6/9
অন্যদিকে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া নিয়ে রাজ্যের আশঙ্কার প্রসঙ্গে কমিশন যুক্তি দেয়, অন্য রাজ্যে রেট অফ রিজেকশন অনেক বেশি, তামিলনাডুতে ১৮%, গুজরাতে ১৩ শতাংশ৷ তারপরেও কোনও আপত্তি আসেনি৷ কিন্তু, বাংলায় মাত্র ৭.৬% শতাংশের একটু বেশি রিজেকশন রেট, সেখানে এত আপত্তি কেন?
অন্যদিকে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া নিয়ে রাজ্যের আশঙ্কার প্রসঙ্গে কমিশন যুক্তি দেয়, অন্য রাজ্যে রেট অফ রিজেকশন অনেক বেশি, তামিলনাডুতে ১৮%, গুজরাতে ১৩ শতাংশ৷ তারপরেও কোনও আপত্তি আসেনি৷ কিন্তু, বাংলায় মাত্র ৭.৬% শতাংশের একটু বেশি রিজেকশন রেট, সেখানে এত আপত্তি কেন?
advertisement
7/9
কমিশনের অভিযোগ, ‘‘আপনারা দেখুন যে রকম প্রোভোকেটিভ হুমকি দেওয়া হচ্ছে রাজ‍্যে জুড়ে। কিন্তু কোনও ব‍্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না৷’’ অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘‘দুখের বিষয় হল এই দেশে নির্বাচনের আগে এধরনের মন্তব‍্যের প্রবণতা বেড়ে যায়। আমাদের মূল চিন্তা হল, আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি কি নিশ্চিত করা হয়েছে?’’
কমিশনের অভিযোগ, ‘‘আপনারা দেখুন যে রকম প্রোভোকেটিভ হুমকি দেওয়া হচ্ছে রাজ‍্যে জুড়ে। কিন্তু কোনও ব‍্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না৷’’ অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘‘দুঃখের বিষয় হল এই দেশে নির্বাচনের আগে এধরনের মন্তব‍্যের প্রবণতা বেড়ে যায়। আমাদের মূল চিন্তা হল, আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি কি নিশ্চিত করা হয়েছে?’’
advertisement
8/9
তারপরেই গোটা এসআইআর প্রক্রিয়া কলকাতা হাইকোর্টের নজরদারিতে করার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট৷ শেষে সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্য, ‘রাজ‍্যের এই পরিস্থিতি— এক্সট্রা অর্ডিনারি পরিস্থিতি’৷
তারপরেই গোটা এসআইআর প্রক্রিয়া কলকাতা হাইকোর্টের নজরদারিতে করার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট৷ শেষে সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্য, ‘রাজ‍্যের এই পরিস্থিতি— এক্সট্রা অর্ডিনারি পরিস্থিতি’৷
advertisement
9/9
রাজ্যের তরফে স্পেশাল রোল অবজারভারদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়৷ অন্যদিকে, কমিশন দাবি করে, বাংলায় পোস্টেড কেন্দ্র সরকারি আধিকারিকদের নিয়োগ করার নির্দেশ দেওয়া হোক৷ কোনও পক্ষকে সরাসরি সমর্থন না করে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, ‘‘আমরা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে বলব, জুডিশিয়াল অফিসার অ‍্যাপয়েন্ট করার। আমাদের কাছে খুব কম অপশন হাতে রয়েছে। আমরা কলকাতা হাইকোর্টকে নজরদারির জন‍্য বলব। অথবা, অন‍্য রাজ‍্য থেকে যথাযথ আধিকারিক এনে কাজ শেষ করতে হবে। কারণ, কাজ শেষ না হলে কী হবে সেটা আপনারা বুঝতে পারছেন৷’’ এরপরেই রাজ্যের তরফে কপিল সিব্বলজানান, ‘‘আপনারা কলকাতা হাইকোর্টের কাছে দায়িত্ব দিন। জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করার জন‍্য। আমাদের আপত্তি নেই৷’’
রাজ্যের তরফে স্পেশাল রোল অবজারভারদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়৷ অন্যদিকে, কমিশন দাবি করে, বাংলায় পোস্টেড কেন্দ্র সরকারি আধিকারিকদের নিয়োগ করার নির্দেশ দেওয়া হোক৷ কোনও পক্ষকে সরাসরি সমর্থন না করে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, ‘‘আমরা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে বলব, জুডিশিয়াল অফিসার অ‍্যাপয়েন্ট করার। আমাদের কাছে খুব কম অপশন হাতে রয়েছে। আমরা কলকাতা হাইকোর্টকে নজরদারির জন‍্য বলব। অথবা, অন‍্য রাজ‍্য থেকে যথাযথ আধিকারিক এনে কাজ শেষ করতে হবে। কারণ, কাজ শেষ না হলে কী হবে সেটা আপনারা বুঝতে পারছেন৷’’ এরপরেই রাজ্যের তরফে কপিল সিব্বলজানান, ‘‘আপনারা কলকাতা হাইকোর্টের কাছে দায়িত্ব দিন। জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করার জন‍্য। আমাদের আপত্তি নেই৷’’
advertisement
advertisement
advertisement