Supreme Court on SIR: ‘আর কোনও উপায় নেই’! রাজ্যের ভূমিকায় উষ্মাপ্রকাশ, তবে কমিশনের আর্জিও মানল না আদালত
- Reported by:ARNAB HAZRA
- news18 bangla
- Published by:Satabdi Adhikary
Last Updated:
আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি একটি তালিকা প্রকাশ করতে পারবে কমিশন৷ সেই তালিকায় যে সমস্ত ভোটারের নামে কোনও সমস্যা নেই বা সমস্তার নিষ্পত্তি হয়েছে, তাঁদের নাম থাকবে৷ তবে এটাই চূড়ান্ত তালিকা হবে না৷
নয়াদিল্লি: বিশ্বাসহীনতার সমস্যা হচ্ছে রাজ্য এবং জাতীয় নির্বাচন কমিশনের মধ্যে৷ ‘ট্রাস্ট ডেফিসিট’৷ তাই হয় রাজ্যের বাইরে থেকে যথাযথ আধিকারিক এনে সময়ে এসাইআর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হোক, নাহলে কলকাতা হাইকোর্টের নজরদারিতে৷ সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানি চলাকালীন দু’পক্ষের সামনে এই দুই বিকল্পই তুলে ধরলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত৷
advertisement
এদিন সুপ্রিম কোর্ট বেনজির নির্দেশে জানিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টের নজরদারিতে এসআইআর প্রক্রিয়ার বাকি কাজ সম্পন্ন করা হবে৷ পাশাপাশি, যতদূর পর্যন্ত ‘আন ডিসপিউটেড’ ভোটারের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, সেই তালিকা আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রকাশ করতে পারবে কমিশন৷ বাকি যে সমস্ত মামলার নিষ্পত্তি পরে হবে, তার নাম পরে পরে প্রকাশ করা যেতে পারে৷
advertisement
advertisement
এরপরই রাজ্যের উপর খানিক বিরক্তি প্রকাশ করে আদালত৷ বলে, ‘‘আমরা ইআরওদের বিষয়ে জানতে চাইছি। আমরা হতাশ রাজ‍্যের তরফে এরকম ব‍্যবহার দেখে৷ আপনারা তাহলে জানিয়ে দিন, আপনাদের কাছে আধিকারিক নেই। তাহলে ওঁরা বাইরে থেকে নিয়ে আসবেন। আপনারা একজন ক্লার্ককে প্রোমোশন দিয়ে এক্সট্রা জুডিশিয়াল ক্ষমতা দিতে পারেন না’’
advertisement
advertisement
advertisement
কমিশনের অভিযোগ, ‘‘আপনারা দেখুন যে রকম প্রোভোকেটিভ হুমকি দেওয়া হচ্ছে রাজ‍্যে জুড়ে। কিন্তু কোনও ব‍্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না৷’’ অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘‘দুঃখের বিষয় হল এই দেশে নির্বাচনের আগে এধরনের মন্তব‍্যের প্রবণতা বেড়ে যায়। আমাদের মূল চিন্তা হল, আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি কি নিশ্চিত করা হয়েছে?’’
advertisement
advertisement
রাজ্যের তরফে স্পেশাল রোল অবজারভারদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়৷ অন্যদিকে, কমিশন দাবি করে, বাংলায় পোস্টেড কেন্দ্র সরকারি আধিকারিকদের নিয়োগ করার নির্দেশ দেওয়া হোক৷ কোনও পক্ষকে সরাসরি সমর্থন না করে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, ‘‘আমরা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে বলব, জুডিশিয়াল অফিসার অ‍্যাপয়েন্ট করার। আমাদের কাছে খুব কম অপশন হাতে রয়েছে। আমরা কলকাতা হাইকোর্টকে নজরদারির জন‍্য বলব। অথবা, অন‍্য রাজ‍্য থেকে যথাযথ আধিকারিক এনে কাজ শেষ করতে হবে। কারণ, কাজ শেষ না হলে কী হবে সেটা আপনারা বুঝতে পারছেন৷’’ এরপরেই রাজ্যের তরফে কপিল সিব্বলজানান, ‘‘আপনারা কলকাতা হাইকোর্টের কাছে দায়িত্ব দিন। জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করার জন‍্য। আমাদের আপত্তি নেই৷’’









