advertisement

World Sleep Day: বালিশের পাশে মোবাইল নিয়ে ঘুমানোর অভ্যাস? শরীরে দানা বাঁধছে ভয়ঙ্কর রোগ, আজই সাবধান হোন

Last Updated:
World Sleep Day: বিশ্ব ঘুম দিবসে চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, সুস্থ থাকতে প্রতিদিন অন্তত ৬–৮ ঘণ্টা ঘুম অত্যন্ত জরুরি। ঘুমানোর আগে মোবাইল ব্যবহার কমানোসহ কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে ঘুমের মান অনেকটাই ভাল হতে পারে
1/6
১৩ মার্চ বিশ্ব ঘুম দিবস। সুস্থ জীবনযাপনে ঘুমের গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতেই প্রতি বছর এই দিনটি পালিত হয়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, সঠিকভাবে ঘুম না হলে শরীরে যেমন ক্লান্তিবোধ বাড়ে, তেমনই দীর্ঘমেয়াদে মানসিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
১৩ মার্চ বিশ্ব ঘুম দিবস। সুস্থ জীবনযাপনে ঘুমের গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতেই প্রতি বছর এই দিনটি পালিত হয়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, সঠিকভাবে ঘুম না হলে শরীরে যেমন ক্লান্তিবোধ বাড়ে, তেমনই দীর্ঘমেয়াদে মানসিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
advertisement
2/6
বিশিষ্ট চিকিৎসক স্বস্তিশোভন চৌধুরী জানান, বর্তমান সময়ে মানুষের ঘুমের অন্যতম বড় শত্রু হয়ে উঠেছে মুঠোফোন। অনেকেই ঘুমাতে যাওয়ার আগেও দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইল ব্যবহার করেন। এর ফলে মস্তিষ্ক সক্রিয় থেকে যায় এবং ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হয়। তাই ঘুমানোর আগে মোবাইল ব্যবহার না করার পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি।
বিশিষ্ট চিকিৎসক স্বস্তিশোভন চৌধুরী জানান, বর্তমান সময়ে মানুষের ঘুমের অন্যতম বড় শত্রু হয়ে উঠেছে মুঠোফোন। অনেকেই ঘুমাতে যাওয়ার আগেও দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইল ব্যবহার করেন। এর ফলে মস্তিষ্ক সক্রিয় থেকে যায় এবং ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হয়। তাই ঘুমানোর আগে মোবাইল ব্যবহার না করার পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি।
advertisement
3/6
চিকিৎসকের মতে, একজন সুস্থ মানুষের প্রতিদিন অন্তত ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। পর্যাপ্ত ঘুম হলে শরীর সতেজ থাকে, মনোযোগ বাড়ে এবং কাজের প্রতি আগ্রহ বজায় থাকে।
চিকিৎসকের মতে, একজন সুস্থ মানুষের প্রতিদিন অন্তত ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। পর্যাপ্ত ঘুম হলে শরীর সতেজ থাকে, মনোযোগ বাড়ে এবং কাজের প্রতি আগ্রহ বজায় থাকে।
advertisement
4/6
কিন্তু ঠিকমতো ঘুম না হলে শরীরে অলসতা বাড়ে, মনোযোগ কমে যায় এবং নানা ধরনের মানসিক চাপ তৈরি হতে পারে। তিনি আরও বলেন, নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম মানুষের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই বিশ্ব ঘুম দিবসে সবাইকে সচেতন হয়ে পর্যাপ্ত ও সঠিকভাবে ঘুমানোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
কিন্তু ঠিকমতো ঘুম না হলে শরীরে অলসতা বাড়ে, মনোযোগ কমে যায় এবং নানা ধরনের মানসিক চাপ তৈরি হতে পারে। তিনি আরও বলেন, নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম মানুষের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই বিশ্ব ঘুম দিবসে সবাইকে সচেতন হয়ে পর্যাপ্ত ও সঠিকভাবে ঘুমানোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
advertisement
5/6
ঘুম ভাল করার সহজ অভ্যাস: নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো ও ওঠা প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন। এতে শরীরের জৈব ঘড়ি ঠিক থাকে। ঘুমানোর আগে মোবাইল বা স্ক্রিন কম ব্যবহার। ঘুমানোর অন্তত ৩০–৬০ মিনিট আগে মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপ ব্যবহার কমানো ভাল। সন্ধ্যার পর চা-কফি কম খাওয়া চা বা কফিতে ক্যাফেইন থাকে, যা ঘুম আসতে বাধা দেয়।
ঘুম ভাল করার সহজ অভ্যাস: নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো ও ওঠা প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন। এতে শরীরের জৈব ঘড়ি ঠিক থাকে। ঘুমানোর আগে মোবাইল বা স্ক্রিন কম ব্যবহার। ঘুমানোর অন্তত ৩০–৬০ মিনিট আগে মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপ ব্যবহার কমানো ভাল। সন্ধ্যার পর চা-কফি কম খাওয়া চা বা কফিতে ক্যাফেইন থাকে, যা ঘুম আসতে বাধা দেয়।
advertisement
6/6
হালকা রাতের খাবার খাওয়া ঘুমানোর আগে ভারী বা তেল-মশলাযুক্ত খাবার না খাওয়াই ভাল। নিয়মিত ব্যায়াম করা প্রতিদিন হালকা হাঁটা বা ব্যায়াম করলে শরীর ক্লান্ত হয় এবং রাতে ভাল ঘুম আসে।শান্ত ও আরামদায়ক পরিবেশে ঘুমানো ঘর অন্ধকার, শান্ত ও আরামদায়ক রাখলে ঘুম দ্রুত আসে। দুশ্চিন্তা কমানো ঘুমানোর আগে বেশি চিন্তা না করে বই পড়া, হালকা গান শোনা বা ধ্যান করলে মন শান্ত হয়।
হালকা রাতের খাবার খাওয়া ঘুমানোর আগে ভারী বা তেল-মশলাযুক্ত খাবার না খাওয়াই ভাল। নিয়মিত ব্যায়াম করা প্রতিদিন হালকা হাঁটা বা ব্যায়াম করলে শরীর ক্লান্ত হয় এবং রাতে ভাল ঘুম আসে।শান্ত ও আরামদায়ক পরিবেশে ঘুমানো ঘর অন্ধকার, শান্ত ও আরামদায়ক রাখলে ঘুম দ্রুত আসে। দুশ্চিন্তা কমানো ঘুমানোর আগে বেশি চিন্তা না করে বই পড়া, হালকা গান শোনা বা ধ্যান করলে মন শান্ত হয়।
advertisement
advertisement
advertisement