ক্যান্টিন কর্মী পার্থ দে ও তপন মাইতি জানান, বর্তমানে বাজারে বাণিজ্যিক গ্যাস পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। যে সিলিন্ডারের দাম সাধারণত প্রায় ২০০০ টাকা, সেটিই কিনতে হচ্ছে প্রায় ৫৪০০ টাকায়। প্রায় তিনগুণ দামে গ্যাস কিনতে হলেও এখনও পর্যন্ত ক্যান্টিনের কোনও মেনুর দাম বাড়ানো হয়নি। তবে এই অবস্থায় দীর্ঘদিন পরিষেবা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় বলেই দাবি ক্যান্টিন পরিচালকদের।
advertisement
বাঁকুড়া–পুরুলিয়ায় অ্যাডজুডিকেশন প্রায় শেষ, ১৭ বিচারককে অন্য জেলায় পাঠাচ্ছে হাইকোর্ট!
গ্যাসের অভাবে রান্নার পরিমাণও অনেকটাই কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে যেখানে পাঁচ থেকে ছয় ধরনের তরকারি এবং একাধিক মাছের পদ, এমনকি মাটনও নিয়মিত রান্না হত, এখন সেখানে কোনোরকমে এক-দু’টি তরকারি বানানো হচ্ছে। বর্তমানে মূলত ডিম, রুই মাছ এবং চিকেন দিয়েই সীমিত মেনু চালানোর চেষ্টা চলছে।
প্রতীকী ছবি
এদিকে একই সমস্যার জেরে কলকাতার অন্যতম পুরনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইআইআইএস ডব্লিউবিএম-এর ক্যান্টিনও গত তিন দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। ক্যান্টিনের সামনে নোটিশ টাঙিয়ে জানানো হয়েছে, গ্যাসের অভাবে পরিষেবা আপাতত বন্ধ রাখতে হচ্ছে। ফলে বিপাকে পড়েছেন ছাত্রছাত্রীরা। অধ্যাপকরাও পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
এই ক্যান্টিন থেকেই প্রতিদিন সকালের জলখাবার, দুপুরের খাবার থেকে বিকেলের স্ন্যাক্স—সবই পেতেন পড়ুয়ারা। চা বা কফির আড্ডাও ছিল ক্যাম্পাস জীবনের অঙ্গ। কিন্তু ক্যান্টিন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন পড়ুয়াদের অনেকেই বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসছেন, কেউ আবার বাইরে গিয়ে খেতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে গ্যাসের সঙ্কটের প্রভাব বাইরের দোকানগুলিতেও পড়তে শুরু করায় সেখানেও সব খাবার মিলছে না বলে অভিযোগ।
এখন গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার দিকেই তাকিয়ে রয়েছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ ও ছাত্রছাত্রীরা। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, সেই প্রতীক্ষাতেই দিন গুনছে সবাই।
