সূত্রের খবর অনুযায়ী, ঝাড়খণ্ড-সহ রাঁচির তিন জায়গা, গুমলার একটি জায়গা পাশাপাশি সাহেবগঞ্জের ১৩টি জায়গায় অভিযান চালায় সিবিআই। অভিযান চলে বিহারের পাটনা ও কলকাতার দুটি জায়গায়। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে ঝাড়খণ্ডে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছিল সিবিআই।
advertisement
প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ডের অবৈধ পাথর খাদান মামলায় নজরে রয়েছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনও। ঝাড়খণ্ডের অতি পরিচিত ‘নিম্বু পাহাড়’ চত্বরে পাথর খাদান থেকে অবৈধ ভাবে মূল্যবান পাথর পাচার করার অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে সিবিআই। সূত্রের খবর, অবৈধভাবে পাথর খাদান থেকে মূল্যবান পাথর আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রি করা হয়েছে।
Location :
Kolkata,West Bengal
First Published :
Nov 05, 2024 8:37 PM IST
