সেই বিবৃতিতে I-PAC জানিয়েছে, ‘প্রায় ১০ বছর আগে ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি (I-PAC) র জন্ম৷ এই সংস্থার জন্মের ভিত্তি ছিল একটা বিশ্বাস৷ বিশ্বাস ছিল দেশের তরুণ প্রজন্মের কর্মশক্তি, সততা এবং পেশাদারিত্বের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হয়ে ওঠা৷ এবং তা পক্ষপাতদুষ্ট না হয়ে৷
advertisement
আমরা ঠিক যেমন পাবলিক লাইফ চাইতাম, একজন পড়ুয়া হিসাবে, পেশাদার হিসাবে, ঠিক সেই রকম পরিষেবা, আবহ পাওয়ার উদ্দেশ্যে আমরা ক’জন তরুণ কাজ করতে শুরু করলাম৷ ক্রমে ক্রমে I-PAC আরও উন্নত হল, পরিবার বড় হল৷ আরও তরুণ এই পরিবারের সদস্য হলেন৷
গত কয়েক বছরে স্থান, এলাকা, মতামত নির্বিশেষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জন্য কাজ করেছে I-PAC৷ তালিকায় বিজেপি, আম আদমি পার্টি, জাতীয় কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, ডিএমকে, ওয়াইএসআর কংগ্রেস, বিআরএস, জেডি(ইউ) এবং শিবসেনা রয়েছে৷ আমরা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি না, কোনও সরকারি পদে নেই৷ আমাদের ভূমিকা কেবল যে কোনও রকম রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত স্বচ্ছ এবং পেশাদার রাজনৈতিক পরামর্শ দেওয়া৷
গতকাল, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকেরা I-PAC এর অফিস এবং আমাদের ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশিতে এসেছিলেন৷ দিনটা I-PAC এর জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং কঠিন দিন ছিল৷ এই ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগের এবং অস্থির পরিস্থিতির নজির৷ তা সত্ত্বেও আমরা সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছি এবং ভবিষ্যতেও আইনের প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখে প্রয়োজনে সমস্তরকম সহযোগিতা করব৷ ’
আরও পড়ুন: আইপ্যাক কাণ্ডে এবার সুপ্রিম কোর্টে ইডি? হাইকোর্টে শুনানি পিছোতেই শুরু তৎপরতা
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কলকাতায় শুরু হয় শোরগোল৷ তৃণমূলের স্ট্রাটেজিস্ট অফিস, আইটি সেল I-PAC এর সল্টলেক সেক্টর ফাইভের অফিস এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে অভিযান চালায় ইডি। তল্লাশির মাঝেই বেলা ১২ টা নাগাদ প্রথমে প্রতীকের বাড়িতে আর তারপর I-PAC-এর সল্টলেকের অফিসে পৌঁছন মমতা। অফিস থেকে নেমে এসে নথি চুরির অভিযোগ এনে মমতা বলেন, ‘‘ভোর ৬টা থেকে শুরু করেছে আমাদের পার্টির ডেটা ল্যাপটপ সেগুলো সব ওরা ট্রান্সফার করেছে৷ আমি মনে করি এটা ক্রাইম৷’’ তারপর থেকে ইডি, তৃণমূল উভয় তরফে মামলা থেকে শুরু করে দিল্লিতে বিক্ষোভ, কলকাতায় তৃণমূলনেত্রীর মিছিল৷ জল গড়িয়েছে অনেক দূর৷ এই আবহে এল I-PAC এর এই বিবৃতি৷
