দুপুর ১২টা নাগাদ তল্লাশি চলার সময়ে হঠাৎই প্রতীকের বাড়িতে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী পৌঁছনোর মিনিট পাঁচেক আগেই সেখানে পৌঁছন কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মাও।
প্রতীকের বাড়ি থেকে কয়েক মিনিটের মধ্যেই বেরিয়ে আসেন মমতা৷ হাতে ছিল আকাশি রঙের একটি ফাইল৷ তারপরে সংবাদ মাধ্যমের সামনেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি৷ অভিযোগ তোলেন, ইডি-কে কাজে লাগিয়ে তাঁদের দলের তথ্য হাতানোর চেষ্টা চলছে৷ হার্ডডিস্ক নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে৷
advertisement
বাইরে এসে সংবাদমাধ্যমকে মমতা বলেন, ‘‘ওরা আমার দলের সমস্ত নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করছিল! প্রার্থী তালিকা হাতানোর চেষ্টা করেছিল৷ আমি সেগুলো নিয়ে এসেছি। ওই জঘন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ! উনি দেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না! আমার দলের নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করাচ্ছেন! আমি প্রতীককে ফোন করেছিলাম। ও আমার দলের ইনচার্জ। ওরা হার্ডডিস্ক, ফোন সব নিয়ে নিচ্ছিল।’’
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে এই লাউডন স্ট্রিটে তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাংলোয় হানা দিয়েছিল সিবিআই। তখনও সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন মমতা। প্রতিবাদে তিনি ধর্মতলায় ধর্নাও শুরু করেছিলেন। যার জেরে ঘটনা আদালতে বিশেষ প্রভাবশালী তকমা দেওয়া হয়েছিল রাজীব কুমারকে৷
এই ঘটনা প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী এর আগেও সাংবিধানিক সংস্থার কাজে হস্তক্ষেপ করেছেন। ২০২১ সালে তিনি সিবিআইয়ের নিজাম প্যালেসের দফতরে গিয়েছিলেন এভাবেই৷’’
