প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটি , রেলপথ মন্ত্রকের মোট ব্যয় ৪,৪৭৪ কোটি টাকা (প্রায়) সহ ০২ (দুই)টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এই
প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে:
ক. সাঁইথিয়া – পাকুর চতুর্থ লাইন
খ. সাঁতরাগাছি – খড়্গপুর চতুর্থ লাইন
বর্ধিত লাইনের ক্ষমতা গতিশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে, যার ফলে ভারতীয় রেলের জন্য কার্যকরী দক্ষতা এবং পরিষেবা নির্ভরযোগ্যতা উন্নত হবে। এই মাল্টি-ট্র্যাকিং প্রস্তাবগুলি
advertisement
কার্য পরিচালনাকে সুবিন্যস্ত করতে এবং যানজট কমাতে প্রস্তুত। প্রকল্পগুলি প্রধানমন্ত্রীর নতুন ভারতের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ, যা এই অঞ্চলের জনগণকে ‘আত্মনির্ভর’ করে তুলবে। এই অঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থান/স্ব-কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করবে।
প্রকল্পগুলি প্রধানমন্ত্রী-গতি শক্তি জাতীয় মাস্টার প্ল্যানের উপর ভিত্তি করে পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার লক্ষ্য হল সমন্বিত পরিকল্পনা এবং অংশীদারদের পরামর্শের মাধ্যমে বহু-মডেল সংযোগ এবং লজিস্টিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা। এই প্রকল্পগুলি মানুষ, পণ্য এবং পরিষেবার চলাচলের জন্য নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ প্রদান করবে।
পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খণ্ড রাজ্যের ৫টি জেলা জুড়ে তৈরি হওয়া এই ২ (দুই)টি প্রকল্প ভারতীয় রেলওয়ের বিদ্যমান নেটওয়ার্ককে প্রায় ১৯২ কিলোমিটার বৃদ্ধি করবে। অনুমোদিত মাল্টি-ট্র্যাকিং প্রকল্পটি প্রায় ১৪৭ লক্ষ জনসংখ্যা বিশিষ্ট প্রায় ৫,৬৫২টি গ্রামের সাথে সংযোগ বৃদ্ধি করবে বলে জানা গিয়েছে৷
অনুমোদিত প্রকল্পগুলি কয়লা, পাথর, ডলোমাইট, সিমেন্ট, স্ল্যাগ, জিপসাম, লোহা ও ইস্পাত, খাদ্যশস্য, পিওএল, কন্টেইনার ইত্যাদি পণ্য পরিবহনের জন্য অপরিহার্য রুট। ক্ষমতা বৃদ্ধির কাজের ফলে ৩১ এমটিপিএ (প্রতি বছর মিলিয়ন টন) অতিরিক্ত মালবাহী পরিবহন হবে। রেলওয়ে পরিবেশবান্ধব এবং শক্তি-সাশ্রয়ী পরিবহন পদ্ধতি হওয়ায়, জলবায়ু লক্ষ্য অর্জন এবং দেশের সরবরাহ ব্যয় হ্রাস, তেল আমদানি (০৬ কোটি লিটার) হ্রাস এবং CO2 নির্গমন (২৮ কোটি কেজি) হ্রাস উভয় ক্ষেত্রেই সহায়তা করবে যা ০১ (এক) কোটি গাছ লাগানোর সমতুল্য।
