এই কর্মসূচির সময় সিনিয়র ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজার ও তাঁর দল বিভিন্ন শ্রেণীর যাত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। রেলওয়ের ডিজিটাল পরিষেবা ও যাত্রীদের মধ্যে সংযোগ আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি যাত্রীদের প্রযুক্তি-বান্ধব করে তোলাই ছিল এই অভিযানের প্রধান লক্ষ্য। তিনি যাত্রীদের জানান, RailOne অ্যাপ আধুনিক রেলযাত্রার জন্য একটি “ওয়ান-স্টপ সলিউশন” হিসেবে কাজ করে। অ্যাপটির প্রধান সুবিধাগুলির মধ্যে রয়েছে—
advertisement
সহজ ও ঝামেলাবিহীন টিকিটিং ব্যবস্থা: এর ফলে টিকিট কাউন্টারে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন হয় না। রিয়েল-টাইম তথ্য: ট্রেনের সময়সূচি, লাইভ রানিং স্ট্যাটাস এবং প্ল্যাটফর্ম নম্বর সংক্রান্ত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়।
উন্নত সংযোগ ও পরিষেবা: বিভিন্ন যাত্রী পরিষেবাকে একটি সহজ ও ব্যবহারকারী-বান্ধব প্ল্যাটফর্মে একত্রিত করা হয়েছে।
‘লিসনার-ফার্স্ট’ বা যাত্রী-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে সিনিয়র ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজার সুনীল কুমার মহালা সেই সমস্ত যাত্রীদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেন, যাঁরা ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারে অনিচ্ছুক বা সংশয়ে ভুগছিলেন। যাত্রীদের প্রযুক্তিগত সমস্যা ও ব্যবহারজনিত অসুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং ধাপে ধাপে সহায়তার মাধ্যমে ডিজিটাল বিভাজন দূর করার চেষ্টা করা হয়।
অ্যাপ ব্যবহারের পদ্ধতি, পেমেন্ট নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সমস্যাসংক্রান্ত বিষয়েও যাত্রীদের আশ্বস্ত করা হয়।
এই উপলক্ষে সিনিয়র ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজার সুনীল কুমার মহালা বলেন,
“আমাদের লক্ষ্য হল প্রযুক্তিকে প্রতিটি যাত্রীর জন্য একটি সহায়ক মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলা। ময়দানে নেমে যাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বললে বাস্তব সমস্যাগুলি চিহ্নিত করা সম্ভব হয় এবং RailOne অ্যাপকে রেলযাত্রীদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া যায়।”
