হুমায়ুন জানিয়েছেন, ওই ভিডিওগুলির রুচি এবং সংস্কৃতি তাঁর দলের আদর্শের সঙ্গে খাপ খায় না৷ সেই কারণেই প্রার্থী বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷
সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে হুমায়ুন বলেন, ‘গতকাল সন্ধেবেলা বালিগঞ্জের প্রার্থী হিসেবে নিশা চট্টোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করেছিলাম৷ কিন্তু সন্ধে হতেই তাঁর বিভিন্ন ছবি এবং ভিডিও সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। ব্যক্তিগত জীবনে কে কী করবেন, কী খাবেন, কী পরবেন, কোথায় যাবে তার ব্যাপার। কিন্তু আমার মনে হয়েছে আমার দলের প্রার্থী বা শুরুটা এমন করা উচিত হবে না। তাই সঙ্গে সঙ্গেই আমি প্রার্থী বদলের সিদ্ধান্ত জানিয়েছি। তৃণমূলের বিভিন্ন আইটি সেলের পক্ষ থেকে ফেসবুকে তাঁর ছবি ভাইরাল করা হয়েছে৷ তাতে মনে হয়েছে আমার দলের শুরুতে এ ধরনের কোনও ব্যক্তিকে বিধানসভার মতো পবিত্র স্থানে পাঠানোর চেষ্টা করলে জন্য মানুষ আমাকে ভুল বুঝতে পারে। তাই আমি সিদ্ধান্ত বদল করেছি।’ হুমায়ুন জানিয়েছেন, বালিগঞ্জ থেকে খাকে প্রার্থী করা হবে, তা আলোচনা করে জানিয়ে দেওয়া হবে৷
advertisement
যদিও হুমায়ুনের এই যুক্তি উড়িয়ে দিয়েছেন নিশা চট্টোপাধ্যায়৷ তাঁর পাল্টা দাবি, সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার হওয়ার পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গেও তিনি যুক্ত৷ হুমায়ুনও তাঁকে বলেছিলেন, নতুন দল করলে তাঁকে জায়গা দেওয়া হবে৷ সেই সূত্রেই বেলডাঙায় হুমায়ুনের নতুন দল ঘোষণার অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন তিনি৷
সাংবাদিক বৈঠক করে হুমায়ুনের পাল্টা দাবি, ‘আমার নাম যখন ঘোষণা হয়েছে তখনও আমি হতাশ। যখন নাম প্রত্যাহার করেছে তখনও হতাশ। উনি নতুন দল করেছেন বলে তাই গিয়েছিলাম। আমি সমাজসেবামূলক কাজ করি৷ মানুষের জন্য কাজ করতে চাই৷ সেই হিসেবে গিয়েছিলাম। আগেই বলেছিলেন দল করলে তোমাকে জায়গা দেব। হঠাৎ আমার নাম ঘোষণা করা হয়।’ তবে নিশা চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বন্ধু হিসেবে হুমায়ুনের পাশে থাকবেন তিনি৷
সহ প্রতিবেদন- বিশ্বজিৎ সাহা
