বাংলার জন্যে নেওয়া একাধিক রেল প্রকল্প ২০১১ সালে তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণ করেছিল বলে মনে করা হয়। ২০২১ সালের বাংলায় বিধানসভা ভোটের আগে সেই রেল প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়নকেই হতিয়ার করছে বিজেপি।
রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্দেশে বাংলার মেট্রো প্রকল্পগুলিতে বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ বেড়েছে। এমনকি বিভিন্ন রেল প্রকল্পেও সাম্প্রতিক কালে সবচেয়ে বেশি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পীযূষ গোয়েল। দেখে নেওয়া যাক বাংলার রেল প্রকল্পে কত বরাদ্দ হল-
advertisement
চলতি বছরের পরিমাণ-
নোয়াপাড়া-বারাসত ৫২০ কোটি
দক্ষিণেশ্বর ১ কোটি
এয়ারপোর্ট-নিউ গড়িয়া ৩৫০ কোটি
জোকা-বিবাদী বাগ ৩৫০ কোটি
সেন্ট্রাল পার্ক-হলদিরাম ১০ কোটি
ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো ৯০০ কোটি
গত বছর বিনিয়োগের পরিমাণ
নোয়াপাড়া-বারাসত ২০০ কোটি
দক্ষিণেশ্বর ১০ কোটি
জোকা-বিবাদী বাগ ৯৯ কোটি
সেন্ট্রাল পার্ক-হলদিরাম ১ কোটি
এয়ারপোর্ট-নিউ গড়িয়া৩২৮ কোটি
ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো ৯০৫ কোটি
দক্ষিণ-পূর্ব রেল বরাদ্দ বাড়ল ৭১৯ কোটি টাকা। ২০২০-২১ - এ ছিল ৫৪০১ কোটি টাকা। এবছর তা হল - ৬১২০ কোটি টাকা।
* ডাবলিংয়ে - ২১৯ কোটি থেকে বেড়ে হল ২৪১ কোটি
* যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যে - ৬৫ কোটি থেকে বেড়ে ৭৪.৫ কোটি
* রেল ওভারব্রিজ ও আন্ডারপাস - ১০৬ কোটি থেকে বেড়ে ১৬৭ কোটি
* লেভেল ক্রসিং ও সেই সম্পর্কিত নিরাপত্তা - ১৮ কোটি থেকে বেড়ে ৩০ কোটি
* ট্র্যাক রিনিউয়াল - ৩৬১ থেকে বেড়ে হল ৩৭৮ কোটি টাকা
এছাড়া, কলকাতার সঙ্গে দক্ষিণ ও মধ্য ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ দৃঢ় করতে বাংলায় যে তিনটে কাজ চলছে, সেই তিন জায়গাতেই অনেকটা টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে। এই তিন প্রকল্প হল -
* খড়গপুর-আদিত্যপুর - ২৬৫ কোটি টাকা
* নারায়ণপুর-ভদ্রক - ৩০২ কোটি টাকা
* পুরুলিয়া-কোটশিলা - ৩৪ কোটি টাকা
এই পরিসংখ্যান তুলে ধরার পাশাপাশি রেল মন্ত্রী জানিয়েছেন, অর্থের কোনও অসুবিধা নেই। সমস্ত প্রকল্পে যথাযথ অর্থ দেওয়া হয়েছে। জমি পেলে ও স্থানীয় সমস্যার সমাধান হলে কাজ শেষ করা হবে দ্রুত। প্রসঙ্গত, ২০০৯ সাল থেকে নেওয়া একাধিক রেল প্রকল্পের কাজ এখনও শেষ হয়নি। কারণ জমির সমস্যা। জমি অধিগ্রহণ নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয় তা নিয়েই। এক মাস আগেই বাংলার মেট্রো প্রকল্পগুলি নিয়ে বৈঠক করেছিলেন খোদ নরেন্দ্র মোদী।
