তাদের দাবি, সন্ত্রাস কবলিত অঞ্চলে কাজ করা কঠিন হলেও, সংখ্যালঘু বুথে কমিটি গঠনের কাজ চলছে। প্রয়োজন সাংগঠনিক জোর তৈরির, প্রয়োজন ভাল পারফরমেন্সের। এবার বুথে বুথে কমিটি গঠনের পর সেই নিয়েই ভাবিত বাংলার গেরুয়া শিবির। সূত্রের খবর, আগামী ১৬ থেকে ২২ অগাস্ট পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে বুথ কমিটি সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এছাড়াও এই সময়কালেই হবে বাকি ১৫ হাজার বুথে ভেরিফিকেশনের কাজও।
advertisement
আর সেই প্রশিক্ষণের পরেই এন্ট্রি নেবে পারফরমেন্স গ্রেড। এদিনের বুথ কমিটি সংক্রান্ত আয়োজিত কর্মশালায় বাংলায় বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশল জানিয়েছেন, সব নেতাদের সব ধরনের কাজের পারফরমেন্স কেমন, তা মূল্যায়ন করা হবে। সেই ভিত্তিতেই সকল নেতাদের গ্রেড প্রদান করা হবে। আপাতত বুথ স্তরের আলোচনায় এই কথা উঠে আসলেও, ‘গ্রেড-প্রথার’ ব্যাপ্তি অনেকটাই বলে মনে করছেন বিজেপি একাংশ।
বুথ কমিটি তৈরি হয়েছে শীঘ্রই রাজ্য ও জেলা কমিটিও তৈরি হবে। সুতরাং, পারফরম্যান্সের খাঁড়া সেখানেও পড়তে চলেছে বলেই ধারণা একাংশের। কর্মশালায় উপস্থিত বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল জানান, সব নেতাদের কাজের ধরন ও দক্ষতা খতিয়ে দেখা হবে এবং সেই অনুসারে গ্রেড প্রদান করা হবে। দলের একাংশের মতে, এই গ্রেড ব্যবস্থা শুধুমাত্র বুথ নয়, ভবিষ্যতে রাজ্য ও জেলা কমিটিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও বিজেপি সূত্রে খবর ইতিমধ্যেই জেলা নেতাদের সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে রাজ্য নেতৃত্বের তরফে তারা যেন নিজ নিজ জেলায় সংগঠনের কাজে মাঠে-ময়দানে নেমে অংশগ্রহণ করেন।
