পরিবারের দাবি, সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে বন্ধুর বাড়িতে আড্ডা দিচ্ছিলেন চরণজিৎ। সেই সময়ই পুলিশ এসে তাঁকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। পরিবারের আরও দাবি, চরণজিৎ কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন।
‘বেঁচে থাকলে রেহাই নেই’, নেতানিয়াহুকে ‘শিশু হত্যাকারী’ বলে হুঁশিয়ারি ইরানের বিপ্লবী গার্ডের!
এদিকে গিরিশ পার্কে গণ্ডগোলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় এখনও উত্তেজনা রয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ নজরদারি বাড়িয়েছে। আদালতে ধৃতদের তোলার সময় যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেই কারণেই ব্যাঙ্কশাল আদালত চত্বরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে নড়েচড়ে বসেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার অভিযোগ এবং পাল্টা বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শনিবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। এই ঘটনার পর কলকাতা পুলিশের কমিশনার সুপ্রতিম সরকারের কাছে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।
advertisement
সূত্রের খবর, শনিবার দুপুরে গিরিশ পার্ক এলাকায় রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে। একই সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের উপর মারধরের অভিযোগও সামনে আসে। অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি বেশ কিছু সময় অশান্ত থাকে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে কলকাতা পুলিশের কমিশনারকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ওই সময় এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর অনুপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের এক আধিকারিক জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভায় যোগ দিতে বহু কর্মী-সমর্থক শহরের বিভিন্ন প্রান্ত দিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই সময়ই রাজ্যের এক মন্ত্রীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ সামনে আসে। তাঁর বক্তব্য, কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও গিরিশ পার্ক এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টা ধরে অশান্তি চলতে থাকে, কিন্তু সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি দেখা যায়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। নির্বাচন কমিশনের এই রিপোর্ট তলবের পর গিরিশ পার্কের ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
