প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১২০ জন পড়ুয়া হিন্দু হস্টেলের আবাসিক। তাঁদের খাওয়া-দাওয়া এবার অনিশ্চয়তার মুখে। সোমবার রাতে হস্টেলের রান্নাঘরে গ্যাস ফুরিয়ে যায়। মঙ্গলবার সকাল থেকে বন্ধ রান্না। দু’বেলা ১২০ জনের রান্না হয় হস্টেলে। প্রতিদিন একটি করে সিলিন্ডার লাগে আবাসিকদের রান্নার জন্য। মাসে গড়ে ২৭ থেকে ২৮টি সিলিন্ডার লাগে।
advertisement
গ্যাসের দাম বাড়ার জেরে অনেক রেস্তোরাঁ ইতিমধ্যেই তাদের মেনুতে পরিবর্তন আনতে শুরু করেছে। যেসব খাবার রান্না করতে বেশি গ্যাস লাগে—যেমন ভাজাভুজি বা দীর্ঘ সময় ধরে রান্না করতে হয় এমন পদ—সেগুলো কিছু জায়গায় কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোথাও আবার নির্দিষ্ট সময়েই এসব পদ তৈরি করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতির প্রভাব অনলাইন ফুড ডেলিভারি পরিষেবাতেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বেশিরভাগ রেস্তোরাঁর কাছেই সাধারণত দুই থেকে তিন দিনের গ্যাস মজুত থাকে। সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটলে অনেক কিচেন সাময়িকভাবে বন্ধ করতে হতে পারে।চাহিদা ও সরবরাহের তীব্র বৃদ্ধির ফলে ভারত এলপিজি সিলিন্ডারের অস্থায়ী ঘাটতির মুখোমুখি হচ্ছে। তেল বিপণন সংস্থাগুলি দেশব্যাপী ১৪.২ কেজির দেশীয় এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৬০ টাকা এবং ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ১৪৪ টাকা বাড়িয়েছে। সংশোধিত দাম ৭ মার্চ, ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত পেট্রোলিয়াম জানিয়েছে ডোমেস্টিক গ্যাসের সরবরাহে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। নাগরিকদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছে সংস্থা। তবে দু-দিন ধরে রান্না বন্ধ থাকায় ভোগান্তির মুখে পড়েছেন পড়ুয়ারা।
