এ বিষয়ে তিনি নিউজ 18 বাংলাকে জানান, ‘‘ফর্ম ৬ জমা পড়া মানেই আমাদের অফিস থেকে ভোটার তালিকায় নাম উঠে যাবে সেরকম ব্যাপারটা নয়। আমাদের অফিসে এরকম অনেক চিঠি, অভিযোগ অনেক কিছু জমা পড়ে। ফর্ম ৬ জমা পড়লেই সেগুলো আমরা জেলাশাসক মারফত ইআরও-দের কাছে পাঠিয়ে দিই। ইআরও-রা সেগুলো খতিয়ে দেখেন। আন্ডার অ্যাডজুডিকেশনে থাকা কোও ব্যক্তির নাম যদি ফর্ম ৬ মারফত জমা দেয় তাহলে আমরা ব্যবস্থা নেব সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধেই। এটা আমাদের কাজ নয় বা সিই ও দফতেরর কাজ নয়, ভোটার তালিকায় নাম তোলা। ইআরও-রাই দেখেন। ৩০০০০ ফর্ম ৬ জমা পড়েছে নাকি কত জমা পড়েছে সেটা আমি তো দেখিনি আমাকে খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।’’
advertisement
আরও পড়ুন: ‘মমতার মন্তব্য উস্কানিমূলক’, তৃণমূল নেত্রীর প্রচার বন্ধের দাবি নিয়ে কমিশনে বিজেপি
অন্য রাজ্যের ব্যক্তিরদের নাম এ রাজ্যের ভোটার তালিকায় ওঠানোর অভিযোগ প্রসঙ্গে মনোজ কুমার আগরওয়াল বলেন, ‘‘বিহার উত্তর প্রদেশ থেকে যে জমা পরার কথা বলা হচ্ছে সেটাও তো আমরা চেক করি না। যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফর্ম ৬ জমা পড়ে থাকে তাহলে সেগুলো ইআরও-দের কাছে আমরা পাঠিয়ে দিই। সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ কীভাবে করব বা না করব এই বিল্ডিংয়ে তো আমরা সবে এসেছি। শিপিং কর্পোরেশনের সঙ্গে কথা বলে অবশ্যই আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখব। তৃণমূল কংগ্রেসের চিঠির উত্তর কি দেওয়া যায় তা নিয়ে আমরা দেখছি।”
