১)দুই ERO ও দুই AERO এর বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দেওয়া হলেও এখনও পর্যন্ত এফআইআর করা হয়নি।
২) বসিরহাটের এক aero কে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হল এখনো সেই নির্দেশ কার্যকর করা হয়নি।
৩) ইলেক্টোরাল রোল অবসার্বাদের বদলির নির্দেশিকা প্রত্যাহার করার কথা বলা হলেও সেই নির্দেশিকা প্রত্যাহার করা হয়নি।
advertisement
৪) এসডিও স্তরের অফিসারদের ইলেকট্রোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার হিসেবে নিয়োগ করার কথা বলা হলেও তা একাধিক ক্ষেত্রে করেনি রাজ্য।
৫) রিটার্নিং অফিসার হিসাবে এসডিও স্তরের অফিসারদের নিয়োগ করার কথা বলা হল এখনও তা করেনি রাজ্য।
সোমবার দুপুর তিনটের মধ্যে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের।
বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর কাজে জেলা আধিকারিকদের হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ পাঠানোয় কোনও ভুল নেই। কাজের সুবিধার্থে এমন পদক্ষেপ করা হয়। প্রশাসনিকস্তরে হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ পাঠানো নিয়ে কেউ বিরোধিতা করেননি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘হোয়াটসঅ্যাপ কমিশন’ মন্তব্যের পরেই পাল্টা জবাব দিল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর (সিইও)।
সিইও দফতরের এক আধিকারিকের কথায়, “নির্বাচন কমিশনের জারি করা গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ লিখিত বা বিজ্ঞপ্তি দিয়েই জানানো হয়। কিন্তু প্রতিটি কাজের জন্য লিখিত নির্দেশ পাঠানো যায় না। এখন তথ্য এবং বার্তা দ্রুত পাঠানোর অন্যতম মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপ। কাজের সুবিধার্থে জেলার আধিকারিকদের হোয়াটসঅ্যাপে কোনও কিছু বলা হয়। এর মধ্যে অনিয়মের কিছু নেই।” হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় জেলাশাসকরা কোনও আপত্তি করেননি বলেও জানান ওই আধিকারিক। তিনি বলেন, “সব জেলাশাসকদের বলা রয়েছে, তাৎক্ষণিক কাজের সুবিধার জন্য হোয়াটসঅ্যাপে কিছু নির্দেশ দেওয়া হয়। কারও কোনও আপত্তি থাকলে তিনি জানাতে পারেন। তবে নিয়ম মোতাবেক প্রথমে তাঁকে নির্দেশ পালন করতে হবে। তার পরে তিনি লিখিত নির্দেশ চাইতে পারবেন।” এখনও পর্যন্ত কোনও জেলাশাসক বা জেলা আধিকারিক হোয়াটসঅ্যাপ নির্দেশের বিরোধিতা করেননি বলে জানায় সিইও দফতর।
সিইও দফতরের বক্তব্য, ‘আমরা মেনে নিচ্ছি প্রতিদিনই হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে এসআইআরের কাজ করা হয়। জেলাশাসকরাও তাই করেন। এমনকি বুধবারও উত্তরবঙ্গের একজন জেলাশাসক হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠিয়ে ভোটারদের শুনানি সংক্রান্ত কিছু সমস্যার কথা জানিয়েছেন। তাঁর ওই সমস্যা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। ওই আধিকারিকের প্রশ্ন, হোয়াটসঅ্যাপ নির্দেশের মধ্যে ভুল কী রয়েছে? নবান্নও অনেক নির্দেশ হোয়াটসঅ্যাপে দেয়। তবে কি সেটি ভুল হিসাবে ধরা হবে? যাঁদের দেওয়া হচ্ছে তাঁরা কেন কোনও বিরোধিতা করছেন না?’
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআরের সংক্রান্ত পশ্চিমবঙ্গের মামলায় বুধবার সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনকে নোটিস জারি করেছে শীর্ষ আদালত। আগামী সোমবার ফের সুপ্রিম কোর্টে মামলাটির শুনানি রয়েছে।
সূত্রের খবর, আগামী সোমবার ফের দিল্লিতে এসে শুনানিতে যোগ দেবেন তৃণমূল নেত্রী। সেক্ষেত্রে আগামী রবিবার দিল্লিতে আসতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্ট কমিশনকে নোটিস জারি করে বলেছে, বানানের ছোটখাটো ভুলে যেন কারও নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া না হয়, তা কমিশনকে নিশ্চিত করতে হবে। ভোটারদের শুনানির নোটিস ধরানোর সময় কমিশনের আধিকারিকদের আরও সংবেদনশীল হতে হবে।
