জানা গিয়েছে, বরাহনগর পুরসভার দেওয়া ওই জন্ম শংসাপত্র এসআইআর-এর নথি হিসেবে জমা দিয়েছিলেন একজন ভোটার৷ প্রাথমিক নথি যাচাইয়ের পর সেই নথি আপলোডও হয়ে যায় কমিশনের পোর্টালে৷ ভেরিফিকেশনের সময় জন্ম শংসাপত্রে এই গরমিল নজরে আসে নির্বাচন কমিশনের৷ দেখা যায়, জন্ম শংসাপত্রে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জন্ম তারিখের আগেই ওই জন্ম শংসাপত্র তৈরি করে ফেলেছিল বরানগর পুরসভা৷
advertisement
জন্ম শংসাপত্রে যে এতবড় অসঙ্গতি রয়েছে, তা কীভাবে সংশ্লিষ্ট বিধানসভার ইআরও-র নজর এড়িয়ে গেল, ইআরও-র কাছে সেই ব্যাখ্যা চেয়েছে কমিশন৷ যদি জন্ম শংসাপত্রে ওই অসঙ্গতি নজরে এসেও থাকে, তার পরেও ইআরও কেন সেই নথি কমিশনের পোর্টালে আপলোড করলেন, তাও জানতে চেয়েছে কমিশন৷ পাশাপাশি, ওই ভোটারের নথি এবং জন্ম শংসাপত্র ফের ভেরিফাই করার জন্য ইআরও-কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷
যে শংসাপত্রে এই গরমিল ধরা পড়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে বরানগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে সংশ্লিষ্ট ভোটারের জন্ম হয় ১৯৯৩ সালের ৬ মার্চ৷ অথচ ডেট অফ রেজিস্ট্রেশন হিসেবে জন্ম শংসাপত্রে ১৯৯৩ সালের ৪ মার্চের কথা উল্লেখ করা রয়েছে৷
নির্বাচন কমিশন এ দিনই জানিয়ে দিয়েছে, এনামুরেশন ফর্ম পূরণের সময় যদি কেউ ভুল তথ্য দিয়ে থাকেন তাহলে কমিশন তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারবে। কারণ নথি আপলোড করার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে একাধিক ক্ষেত্রে এনামুরেশন ফর্মে ভুল তথ্য দিচ্ছেন ভোটাররা। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিধানসভার ইআরও-কে নির্দেশ দেওয়া হবে সেই ভোটারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে কমিশন।
