এদিন বালিগঞ্জে মূলত দুটি ঠিকানায় তল্লাশি চালায় তদন্তকারীদের দল। একটি ঠিকানা অশ্বিনী দত্ত রোড, সান এন্টারপ্রাইজের দফতর, অন্যটি বালিগঞ্জে সোনা পাপ্পুর বাড়ি। ইডি সূত্রে খবর, আর্থিক প্রতারণা মামলার তদন্তে বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর বাড়িতে এই অভিযান চলে।
advertisement
সান এন্টারপ্রাইজ একটি নির্মান সংস্থা। মূলত মেডিক্যাল সরঞ্জাম, আর্মস, ও বিল্ডিং নির্মাণ করে থাকে৷ অন্যদিকে তল্লাশি অভিযান চলল আরও যে জায়গায় তা হল বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর বাড়ি। তিনিও নির্মাণ কাজের সঙ্গে যুক্ত। সূত্রের খবর তার হাত ধরেই একাধিক প্রভাবশালীর কাছে পৌঁছে গিয়েছে টাকা এমনই মনে করছে ইডি আধিকারিকরা। তবে তার সঙ্গে সান এন্টারপ্রাইজেরও যোগসূত্র আছে বলেই মনে করছেন গোয়েন্দারা, এমনটাই ইডি সূত্রে খবর।
ইডির দাবি সোনা পাপ্পুর বাড়িতে বেশ কিছু জিনিস লুকিয়ে রাখা রয়েছে। নির্মাণ ব্যবসায় একাধিক সংস্থা সিন্ডিকেটের মাথার আধিকারিক ছিলেন এই সোনা পাপ্পু। আর তার মাধ্যমে একাধিক প্রভাবশালীর কাছে টাকা পৌঁছে যেত বলেও দাবি ইডির। সেই টাকা কোথায় পৌঁছে যেত সেই সমস্ত অনুসন্ধান করার জন্য চলছে ইডি তল্লাশি। যদিও সান এন্টারপ্রাইজের দফতরে ঢুকতেই পারেনি ইডি। অন্যদিকে ফেরার সোনা পাপ্পুও। তবে তার বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে ইডি। এছাড়াও এখনও পর্যন্ত ছটি জায়গায় তল্লাশি চলেছে।
