আরও পড়ুনঃ সিলিন্ডার বুকিংয়ে নতুন নিয়ম জারি, বছরে সর্বোচ্চ ১৫টি সিলিন্ডারই কেনা যাবে
সূত্রের খবর, ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে তাঁকে হাজিরা দেওয়ার জন্য তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। তিনি আজ ইডি দফতরে আসেন। তিনি জানান তাঁকে বেশ কিছু নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। জানা গিয়েছে, মাসখানেক আগে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন বিভাস। বর্তমানে তিনি জামিনে রয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় এর আগেও তাঁর বীরভূমের নলহাটির বাড়ি এবং কলকাতার বাসভবনে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি ও সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)।
advertisement
তদন্তকারী সংস্থার দাবি, উত্তরবঙ্গ-সহ একাধিক জেলায় অর্থের বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগে বিভাসের যোগ থাকতে পারে। ধৃত তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি বীরভূমের প্রভাবশালী নেতা অনুব্রত মন্ডল-এর সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠতা ছিল বলে সূত্রের খবর।
২০২৫ সালের অক্টোবরে প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই। নিয়োগ মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত মানিক ভট্টাচার্য, বিভাস অধিকারী এবং রত্না বাগচীর বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা হয়। প্রাথমিকে নিয়োগের ক্ষেত্রে ঘুরপথে ৩৫০ জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল বলে সিবিআইয়ের তদন্তে উঠে এসেছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই চক্রে এজেন্ট হিসাবে কাজ করছিলেন বিভাস। তাঁর বিরুদ্ধে নকল থানা চালানোরও অভিযোগ ওঠে। এক সময় নয়ডা পুলিশ গ্রেফতারও করেছিল বিভাসকে।
