জানা গিয়েছে, বর্তমানে ৬০ লক্ষেরও বেশি ভোটারের নথি ‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন’ অবস্থায় রয়েছে। এই অভিযোগ ও নথিপত্র যাচাইয়ের দায়িত্ব থাকছে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের ওপর। কমিশনের অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, শুনানিতে অনুপস্থিত বা নোটিশ না পাওয়া ভোটারদের ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়ায় পুনরায় শুনানির সুযোগ দেওয়া হবে, যাতে তাঁদের আবেদন যথাযথভাবে বিবেচনা করা যায়।
৩৭ বছর ধরে ইরান শাসন করা সর্বোচ্চ নেতা! জানেন, কে ছিলেন আয়াতোল্লা আলি খামেনেই?
advertisement
নেতৃত্বের শূন্যতায় বংশধরই ভরসা! আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের পরে ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা কে?
নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই ও বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনার ওপর।
পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শেষ করে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে শনিবার। কিন্তু এই তালিকায় রয়েছে অদ্ভুত এক রহস্য। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ৯৯টি আসনেই নতুন ভোটারের সংখ্যা নাকি ‘শূন্য’। অর্থাৎ, গত ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ খসড়া তালিকা প্রকাশ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ পর্যন্ত এই আড়াই মাসের ব্যবধানে সংশ্লিষ্ট ৯৯টি কেন্দ্রে একজনও নতুন ভোটার হিসেবে নাম নথিভুক্ত করার জন্য ‘ফর্ম ৬’ পূরণ করেননি।
প্রথম দফার চূড়ান্ত তালিকা থেকে আপাতত বাদ গেল ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম। খসড়া তালিকায় নাম ছিল ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০ জনের। খসড়া তালিকায় বাদ পড়েছিল ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ জন। ফলে সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাদের হিসাব দাঁড়াল ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনে।
