এই প্রসঙ্গে দমদম কেন্দ্রের প্রার্থী ব্রাত্য বসু বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া মেনে নিতে পারছেন না জ্ঞানেশ কুমার। তিনি এটাকে ব্যক্তিগত ভাবে নিয়েছেন। সরকার ও দল কি করে এক হতে হয়, তা হিটলারের পর জ্ঞানেশ কুমার দেখাচ্ছেন। এমসিসি চলাকালীন যা যা বদল হচ্ছে, আর বিহারে এম সি সি ঘোষণার পরে নীতিশ কুমার টাকা ঘোষণা করেছিল।”
advertisement
এরপরেই তিনি অভিযোগ করেন, “জয়ন্ত কান্ত, মাণিকচক, বৈষ্ণবনগর, সুজাপুর ও মোথাবাড়ির পুলিশ পর্যবেক্ষক। ২০০৯ সালের আইপিএস। উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা, বিহারে কর্মরত।”
প্রায় একই অভিযোগের সুর শোনা গেল পার্থ ভৌমিকের গলাতেও। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গায়ের চামড়া মোটা। তাই পদত্যাগ করলেন না। নির্বাচন কমিশনের কাজের ওপর হস্তক্ষেপ করলেন। তার পরেও শুধু অমিত শাহের লোক বলে তিনি রয়ে গেছেন। মানুষ এর জবাব দেবে। আর জ্ঞানেশ কুমারকে একদিন এর জবাব দিতে হবে। আজকে যে লড়াই বাংলার। ৪’মে এর পর থেকে সেই লড়াই ভারতের হয়ে যাবে।”
