এ দিন দুপুর ১.২২ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প শুরু হয় কলকাতায়৷ ভাল রকমের কম্পন অনুভূত হয় দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায়৷ আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বাংলাদেশের সাতক্ষীরার কাছে৷ প্রায় ৪৫ সেকেন্ড ধরে কলকাতায় কম্পন অনুভূত হয়৷
ভাল রকমের কম্পন অনুভব করেছেন বিধানসভায় হাজির থাকা মন্ত্রী এবং বিধায়করা৷ সেই সময় বিধানসভায় মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, বীরবাহা হাঁসদা সহ অনেক বিধায়কই ছিলেন৷ তৃণমূল বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল বলেন, ‘বিধানসভার সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে আমি এবং ফলতার বিধায়ক স্বপন নস্কর গল্প করছিলাম৷ হঠাৎ মনে হল মাথাটা তিন চারবার ঘুরে উঠল৷ প্রথমে ভেবেছিলাম সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে আছি বলে হয়তো ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছি৷ তখনই দেখলাম বিধানসভার সব কর্মীরা ভিতর থেকে বেরিয়ে আসছেন৷ আমার নিজের বিধানসভা কেন্দ্র, বারুইপুর, সোনারপুর, ক্যানিং সহ গোটা দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলাতেই ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে৷’
advertisement
বিধায়ক করবী মান্না বলেন, ‘সোফার উপরে বসেছিলাম৷ হঠাৎ দেখলাম সোফাটা কেঁপে উঠল৷ তখনই দেখলাম চারপাশ থেকে বিধানসভার কর্মীরা ছুটে বেরিয়ে আসছেন৷ আমিও সঙ্গে সঙ্গে বাইরে চলে এলাম৷ জীবনে প্রথমবার এত বড় ভূমিকম্প অনুভব করলাম৷’
তৃণমূল বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী অবশ্য বিধানসভায় আসার আগে রাস্তাতেই কম্পন অনুভব করেন৷ অশোকনগরের বিধায়ক বলেন, ‘রাজ্যসভার মনোনয়ন পত্রে সই করার জন্য বিধানসভার দিকে আসছিলাম৷ মা ফ্লাইওভারের উপর দিয়ে আসার সময় চালক হঠাৎ বললেন স্যর ভূমিকম্প হচ্ছে৷ তখনও আমিও বুঝলাম সত্যি গাড়িটা দুলছে৷ নীচে রাস্তায় থাকলে একরকম৷ কিন্তু সেতুর উপরে ছিলাম বলে ভয় লাগছিল ব্রিজটা না ভেঙে পড়ে৷’
বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা বলেন, ‘বিধানসভায় আসার সময় ছোট বোনের সঙ্গে কথা ফোনে কথা বলছিলাম৷ তখনই বোন বলল দিদি খাটের উপরে বসে আছি, খাটটা কাঁপছে৷ ঝাড়গ্রামেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে৷’
