বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সেন্টার কোথায় হবে? এ বিষয়ে সেলিম জানান, এজেসি রোড এর উপর হবে। প্রমোদ দাশগুপ্ত ভবনের কাছে। প্রতীক উরের পদত্যাগ ‘অত্যন্ত বেদনাদায়ক’, এ দিনের বৈঠকে জানালেন সেলিম৷
তিনি বলেন, ‘‘প্রতীক উরের পদত্যাগ পত্র গৃহীত হয়েছে ৷ প্রসঙ্গ আসেনি সেভাবে। আমি উত্থাপন করেছি । শেষদিনে আমাকে উত্তাপন করতে হয়। প্রস্তাব দিয়েছি। আমার কাছে নতুন প্রজন্মের ছেলে মেয়েকে ইনভেস্ট করতে হয় । অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এই ধরনের কর্মীকে হারানো সন্তান হারা হওয়ার সমান। এমন ঘটনা ঘটলে আগলে রেখে দেয় মা সন্তানকে। গত দেড় দু’মাস ধরে কয়েকটা অভিযোগ আসছিল। অভিযোগ আসলে নির্দিষ্ট জায়গায় পাঠান হয়। যে মুহূর্তে পেলাম এটাকে আমি দেখব বলেছিলাময। কন্টাক্ট লুস হয়ে যায়। জানতে পারি আরও কিছু কন্টাক্ট বাড়ছে । পার্টির তরফে কোনও সিদ্ধান্ত হলে জানিয়ে দেব।’’
advertisement
বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠকে এল দিল্লি, কেরালা প্রসঙ্গও৷ তিনি বলেন, ‘‘ গত দু তিনটি নির্বাচনে কেউ কেউ দিল্লি লাইন কেরালা লাইন নিয়ে ভুল বলেছে। আজ এম এ বেবী এসেছিলেন । আগামী ২৭ তারিখ পলিটব্যুরোর বৈঠক আছে সেখানে বাকি সিদ্ধান্ত হবে। আমাদের লক্ষ্য সিপিআইএমকে মজবুত করা। সিপিআইএমকে নিয়ে বামফ্রন্টকে শক্ত করা। বাংলাকে বাঁচাতে যা যা করার দরকার সেটা করবে সিপিআইএম। বাংলাকে বাঁচাতে বাম পন্থার পুনরুত্থান দরকার। আমাদের খেটে খাওয়া মানুষ শ্রেনী সংগঠনকে এক করার লড়াই করেছি। গোটা দেশে শিল্প ধর্মঘট চলছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ এই ধর্মঘটে সামিল হয়েছে। ’’
সেলিম জানালেন, ‘‘কোন কোন আসলে সিপিআইএম লড়বে সে নিয়ে বামফ্রন্টের শরিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা চলছে। যারা বিজেপির ও তৃণমূলের পন্থার বাইরে তাদের এক করার চেষ্টা চলছে। সকল সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে আলোচনা মারফত কীভাবে রাজ্যে বিকল্প সরকার দিতে পারে সেটার চেষ্টা চলছে। আসন সমঝোতা নিয়ে ৯০% আলোচনা বা কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে বাকি ১০% হয়ে যাবে বাকিটা । সকল শক্তি নিয়ে ঝাপিয়ে পড়বে বামেরা আগামী নির্বাচনে। বাইনারি ভাঙার জন্য এই লড়াইয়ে যা যা করার দরকার যারা আমাদের সঙ্গে থাকার দরকার ছিল সেখানে খাবলে নেওয়ার চেষ্টা চলছে৷’’
