রিপোর্টে উল্লেখ করা হবে, এখনও পর্যন্ত মোট ১ কোটি ৫১ লক্ষ ৯২ হাজার ৬৩৪টি শুনানি নোটিশ জেনারেট হয়েছে। এর মধ্যে ১ কোটি ৪৯ লক্ষ ৭ হাজার ৯২৫ জন ভোটারের কাছে নোটিশ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তবে ২ লক্ষ ৮৪ হাজার ৭০৯ জন ভোটারের কাছে নোটিশ পৌঁছানো যায়নি বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৪৭ লক্ষ ৪৫ হাজার ৫৩৫ জনের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে।
advertisement
জেলাশাসক স্তরে এখনও ৩ লক্ষ ৪ হাজার ৩৪৬টি নথি যাচাই বাকি রয়েছে। পাশাপাশি মাইক্রো অবজারভার স্তরে ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ৮১৯টি এবং রোল অবজারভার স্তরে ২৩ লক্ষ ৩৭ হাজার ৭৬৮টি নথি পুনর্ যাচাইয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
যে দেশে নেই নিজস্ব বিমানবন্দর! নেই নিজস্ব মুদ্রা! তবুও ভ্রমণের জন্য অসাধারণ সুন্দর… বলুন তো কোথায়?
তবে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মাইক্রো অবজারভার ও রোল অবজারভারদের পুনর্ যাচাইয়ের জন্য যে নথিগুলি চিহ্নিত করা হয়েছে, সেগুলির সঙ্গে একমত নন রাজ্যের ইআরও ও এইইআরও-রা। এই সংখ্যাটি প্রায় ৫০ লক্ষেরও বেশি। ওই নথিগুলি নিয়ে কী ধরনের মতপার্থক্য ও সমস্যা তৈরি হয়েছে, সে বিষয়েও বিস্তারিত ব্যাখ্যা রিপোর্টে তুলে ধরা হবে।
এছাড়া এসআইআর সংক্রান্ত কাজে যাঁরা বিচারক হিসেবে যুক্ত থাকবেন, তাঁদের বিশেষ প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে—এই মর্মেও প্রস্তাব জানানো হবে বলে কমিশন সূত্রে খবর। দ্রুত কাজ শেষ করতে বুথভিত্তিক একজন করে জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগের প্রস্তাবও প্রধান বিচারপতির কাছে রাখা হতে পারে।
এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে প্রশাসনিক সমন্বয়, নথি যাচাই এবং আইনি তত্ত্বাবধান—এই তিন ক্ষেত্রেই সুস্পষ্ট নির্দেশনার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছে কমিশন। সেই প্রেক্ষিতেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে এই বিস্তারিত রিপোর্ট ও প্রস্তাব পেশ করা হবে।
