ভবানীপুর কেন্দ্রে এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় নাম বাদ পড়া প্রসঙ্গে তিনি জানালেন, ‘‘আগেই ৪৪ হাজার বাদ দিয়েছে৷ এবার আরও ১৪ হাজার লজিকাল ডিসক্রিপ্যান্সিতে ফেলেছে৷ আরও ২ হাজারের নাম ডিলিট করেছে৷’’ ‘‘ভবানীপুরে এক ভোটে হলেও জিতব’’, ঘোষণা মমতার৷
advertisement
ভবানীপুর কেন্দ্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘ভবানীপুর একটা ছোট বিধানসভা কেন্দ্র। সেখানেও নাম কেটেছে। আমি চেষ্টা করেছি। সুপ্রিম কোর্টে গেছি। আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে সাহায্য করেছি। ধৈর্য্য ধরেছি। ভোটের আগে ভোট করতে চাইছে কমিশন। এর জবাব দিতে বাংলার মানুষ তৈরি আছে। যার নাম আছে সে এই দুঃখ বুঝবেন না। আমি শকড। এটা প্রতিহিংসামূলক আচরণ। এরা গণতান্ত্রিক ভাবে লড়তে পারে না। এরা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছে।’’
সোমবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকায় তৈরি কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই হোলির রাজ্যবাসীকে হোলির শুভেচ্ছা জানালেন মমতা৷ তিনি বলেন, ‘‘সব বর্ণ, ধর্ম, ইন্ড্রাস্ট্রির সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। সবাইকে হোলি মোবারক। আজকের অনুষ্ঠান উপভোগ করলাম। রাজস্থানি, গুজরাতি, বিহারি, পাঞ্জাবি গান ভাল লেগেছে।শান্তি সম্প্রীতিতে যেন দোল কাটে। ইসকন, রামকৃষ্ণ মিশন, গুরুদ্বোয়ারা সবাই এসেছে।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘আমি সেদিন মানস্তম্ভ উদ্বোধন করতে গিয়েছিলাম। আপনারা নিউটাউনে জৈন মন্দির করতে চেয়েছিলেন। আপনারা ট্রাস্ট বানান। বিশ্ব বাংলা গেটের পাশে ৫ একর জমি নূন্যতম মূল্যে আপনাদের দেওয়া হচ্ছে। মদনমোহন মন্দির, জল্পেশ মন্দির,মহাকাল মন্দির, জগন্নাথ মন্দির-সহ একাধিক কাজের চেষ্টা করা হয়েছে। আপনাদের সবাইকে শুভকামনা জানাই।’’
এসআইআর প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘এক কোটি ২০ লক্ষ লোকের নাম ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আমার মন খারাপ। যারা সব হারাচ্ছেন। কালকেও একজন মারা গেছেন। বৈধ নথি দেখানোর পরেও এই অবস্থা। নতুন বিয়ে যাদের হয়েছে তাদের নাম কাটছে। এটা হতে পারে কখনও? এতদিন এই দেশে থেকেও এটা কি করে হয়? নিরপেক্ষ নয় এই কেন্দ্রীয় সরকার ও কমিশন। জ্ঞানেশ কুমার হল ভ্যানিশ কুমার। আমি সাধারণ মানুষের পক্ষে ও জন্যে। এর আগে ৫৮ লক্ষ নাম বাদ দিয়েছেন। আজকেও মারা গেছেন। এটা কার ভুল? এখানের এক লোক বিএলও দের ওপর ইআরওদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। মাইক্রো অবজারভাররা নাাম কেটেছে। ফাইভ স্টার হোটেলে থেকে রথ যাত্রা করছেন। এটা আপনাদের শেষ যাত্রা।’’
