সেই মামলার বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে আবেদন শোনার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। আর সেই প্রসঙ্গেই এবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী।
তিনি লেখেন, “মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট আজ একটি জনস্বার্থ মামলার সূত্রে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের বিষয়ে যুগান্তকারী নির্দেশ ও পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন।”
তাঁর লেখায় ফুটে ওঠে পশ্চিমবাংলার ভৌগলিক এবং ঐতিহাসিক ভূমিকার বিষয়টি। তিনি লেখেন, “সীমান্ত রাজ্য হিসেবে বাংলার ঐতিহাসিক ভূমিকা স্বীকার করে প্রজন্মের পর প্রজন্মে বাংলা কীভাবে আশ্রয়, ভরসা ও সংস্কৃতির আশ্রয়স্থল হয়েছে, তার স্বীকৃতি দেশের সর্বোচ্চ আদালতে আজকে মিলেছে।”
এরপরেই তিনি লেখেন, “মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের মাননীয় হাই কোর্টকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের আবেদনটিকে শুনতে নির্দেশ দিয়েছেন। আটক হওয়া বিপন্ন পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য একটা বড় ভরসার জায়গা আজ তৈরি হল।”
এই নির্দেশ যে মানুষের মনে ভরসা, আশা জোগাবে তাও লেখেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লেখেন, “বাংলার অনন্য অবস্থান নিয়ে এই সর্বোচ্চ স্বীকৃতি বাংলাভাষী অসংখ্য পরিযায়ী শ্রমিককে আশা জোগাবে। আমাদের দেশে নানা প্রান্তে শ্রম ও ত্যাগ স্বীকার করতে থাকা পরিবারগুলি এবার একটু আশার আলো দেখছেন। আমি আমার পরিযায়ী শ্রমিক ভাইবোনদের পাশে দৃঢ় হয়ে দাঁড়িয়ে আছি। বিচারবিভাগের ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে। তাঁদের কাছে বাংলার প্রতিজন শ্রমিক সম্মান, মর্যাদা ও সাংবিধানিক ন্যায় বিচার পাবেন, এই প্রত্যয় আমাদের আছে।”
