তবে অনুব্রত মণ্ডলের তরফে পাল্টা ই মেল করে সিবিআই-কে জানানো হয়েছে, আগামী ২৯ তারিখ বীরভূমে ভোট থাকায় তিনি ব্যস্ত রয়েছেন৷ তাই ভোটের পরে হাজিরা দেওয়ার জন্য সিবিআই-এর কাছে সময় চেয়েছেন বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি৷
প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই আয়কর দফতরের তরফেও অনুব্রত মণ্ডলকে আয় বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগে নোটিস দেওয়া হয়৷ অনুব্রত মণ্ডলের দুই আত্মীয়কেও আয়কর দফতরের তরফে নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে খবর৷
advertisement
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ দিন সিবিআই-এর এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন৷ তিনি বলেন, 'এত ভিতু এরা যে কেষ্টর বাড়িতে গেছে৷ ওকে প্রতিবার ইলেকশনে নজরবন্দি করে দেয়৷ আর কালকে সিবিআই রেইড করেছে৷ দু' জন সিবিআই অফিসার চলে গেছে৷ বলছে ২৭ তারিখে সিবিআই অফিসে আসুুন৷ কেন যাবে সিবিআই অফিসে? ২৯ তারিখে ভোট, আর ২৭ তারিখ ডেকে পাঠাচ্ছে৷ কেন যাবে? সে একটা পার্টির প্রেসিডেন্ট, ভোটের কোনও কাজকর্ম করবে না? ভোট চলছে, একটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চলছে৷ আমি বলে দিয়েছি একদম যাবি না৷ বলবি ভোটের পর যাবো৷ সবরকম ভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে৷' করোনা অতিমারির মধ্যে কেন সিবিআই অফিসাররা কারও বাড়িতে এ ভাবে ঢুকে পড়বেন, তা নিয়েও সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তাঁর প্রশ্ন, 'এখন করোনার মধ্যে এ ভাবে কারও বাড়িতে ঢুকে পড়া যায়? বাড়িতে ঢোকার আগে তো করোনা টেস্ট করা উচিত৷'
Sukanta Mukherjee
